অভিনেত্রী জয়া আহসান সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের প্রকৃতি-ঘনিষ্ঠ জীবনযাপনের ১৪টি আলোকচিত্র প্রকাশ করেছেন। শহুরে জীবনের ব্যস্ততার বাইরে গিয়ে প্রকৃতিনির্ভর সময় কাটানোর এসব মুহূর্ত তাঁর ছবির অন্যতম প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। ছবিগুলোর মাধ্যমে উঠে এসেছে ঘরোয়া জীবনের ছোঁয়া ও প্রকৃতির সৌন্দর্যের মেলবন্ধন।
নিজের হাতে লাগানো ওলকচু তুলছেন তিনি—এই দৃশ্য দেখে একজন মন্তব্য করেছেন, তিনি যেন একজন জাত কৃষক। তাঁর ফ্রেমে ওলকচু, কাঁচকলা ও কলার মোচার মতো উপাদানের উপস্থিতি ঠিক গ্রামবাংলার উঠানের দৃশ্যের মতোই মনে হয়। এই সবজি ও ফলমূল তাঁর নিজের হাতে লাগানো বাগানের ফসল হিসেবে ছবিতে ধরা পড়েছে। কলাপাতায় সাজানো হরেক রকমের ভর্তার ছবিও শেয়ার করেছেন তিনি। পাশাপাশি জানিয়েছেন, কলার মোচা দিয়ে এবার ‘ক্রিসপি সালাদ’ বানানোর কথা ভাবছেন, যা হবে কিছুটা মিশ্র ঘরানার।
প্রকৃতির উপকরণ শুধু খাবারের প্লেটেই নয়, ঘরের সাজসজ্জাতেও স্থান করে নিয়েছে। ঘরের এক কোণে গ্রামবাংলা ও ভিনদেশি ঐতিহ্যের স্মারক সাজানো রয়েছে। বারান্দায় তাঁর প্রিয় পোষ্য ও চায়ের আয়োজনের দৃশ্য চোখে পড়ে। ঘরের ভেতরে রসুনের থোকা ঝুলছে, যা ঘর সাজানোর উপাদান হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে। ফল ও ফুলে সাজানো টেবিল প্রাকৃতিক উপকরণকে ঘরের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়ার এক সুন্দর উদাহরণ হয়ে উঠেছে। শহুরে ব্যস্ততার বাইরে এমন প্রকৃতিনির্ভর সময় কাটানোর দৃশ্যগুলো তাঁর অনুসারীদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
অনুসারীদের প্রতিক্রিয়ায় প্রশংসার সুর স্পষ্ট। একজন লিখেছেন, ‘কী সুন্দর সব ন্যাচারাল, দেখেই চোখ জুড়িয়ে যায়।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘প্রকৃতি কখনোই সেই হৃদয়কে প্রতারণা করে না, যে প্রকৃতিকে ভালোবাসে।’ ছবিগুলোর মাধ্যমে বারবার ফিরে এসেছে প্রকৃতির সৌন্দর্য ও ঘরোয়া জীবনের ছোঁয়া। এছাড়া তাঁর পরিহিত জামদানি শাড়ির কথাও উঠে এসেছে, যা দুজন তাঁতি চার মাস ধরে বুনেছেন।




