জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনের লক্ষ্যে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দরের মাধ্যমে পণ্য আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকেই বন্দর এবং কাস্টমসের যাবতীয় দাপ্তরিক কাজ স্থগিত করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন।
বেনাপোল সি অ্যান্ড এফ এজেন্টস স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি জানান, গত ৫ অক্টোবর মন্ত্রিসভা বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তের আলোকে প্রতি বছর ৭ নভেম্বর দিনটিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করা হয় এবং এদিন সাধারণ ছুটি থাকে। এই ছুটির কারণে বন্দর ও কাস্টমসের সব কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই বিষয়ে ভারতের পেট্রাপোল সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট ব্যবসায়ীদের পূর্বেই অবহিত করা হয়েছিল। তিনি আরও জানান যে, আগামী রোববার সকাল থেকে পুনরায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল হবে।
অন্যদিকে, ভারতের পেট্রাপোল বন্দর ক্লিয়ারিং এজেন্টস স্টাফ ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্ত্তিক চক্রবর্তী জানান, শনিবার বাংলাদেশে সরকারি ছুটির পাশাপাশি সোমবার দীপাবলি (কালীপূজা) উপলক্ষে ভারতে সরকারি ছুটি থাকায় পণ্য আদান-প্রদানের কাজ বন্ধ থাকবে।
পণ্য পরিবহন ও কাস্টমস কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চলাচলে কোনো বাধা নেই। বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন এবং বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি সাইফুর রহমান উভয়েই জানিয়েছেন, ভারত থেকে আসা এবং বাংলাদেশ থেকে ভারতগামী পাসপোর্টধারী যাত্রীরা স্বাভাবিক নিয়মেই যাতায়াত করছেন। রোববার সকাল থেকে বন্দরের সব বাণিজ্যিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।




