আসন্ন ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতিষ্ঠানভেদে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৫০০ টাকা ও সর্বনিম্ন ১ হাজার ৫০০ টাকা ফি আদায়ের নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার প্রকাশিত ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত কি না, তার অবস্থান এবং পাঠদানের মাধ্যম — এই তিনটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে ফির হার নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে প্রকাশিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগরীর নন-এমপিও বা আংশিক এমপিওভুক্ত কলেজগুলোতে ইংরেজি ভার্সনে ভর্তি হতে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৫০০ টাকা খরচ হবে। একই শ্রেণির প্রতিষ্ঠানে বাংলা ভার্সনে ফি ধার্য করা হয়েছে ৭ হাজার ৫০০ টাকা। অন্যদিকে, ঢাকার বাইরে মহানগর এলাকার নন-এমপিও কলেজে ইংরেজি ভার্সনে ৬ হাজার এবং বাংলা ভার্সনে ৫ হাজার টাকা ফি নেওয়া যাবে। জেলা পর্যায়ে নন-এমপিও কলেজে ইংরেজি ভার্সনের জন্য ৪ হাজার টাকা এবং বাংলা ভার্সনের জন্য ৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উপজেলা ও মফস্বল এলাকায় এই হার যথাক্রমে ৩ হাজার ও ২ হাজার ৫০০ টাকা।
এমপিওভুক্ত কলেজগুলোর ক্ষেত্রে ফি কিছুটা কম। রাজধানী ঢাকায় এমপিও কলেজে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভার্সনেই ফি রাখা হয়েছে ৫ হাজার টাকা। ঢাকার বাইরে মহানগর এলাকায় এমপিও কলেজে ৩ হাজার টাকা, জেলায় ২ হাজার টাকা এবং উপজেলা ও মফস্বলে ১ হাজার ৫০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়ায় শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রাথমিক নিশ্চায়নের সময় মোট ৩৪০ টাকা আদায়ের বিধান রাখা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৫ টাকা বেশি। এই অর্থের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন ফি ১৪২ টাকা, ক্রীড়া ফি ৫০ টাকা, রোভার বা রেঞ্জার ফি ১৫ টাকা, রেড ক্রিসেন্ট ফি ১৬ টাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি ৭ টাকা, বিএনসিসি ফি ১০ টাকা এবং শিক্ষক কল্যাণ ও অবসরসুবিধা ভাতা ফি ১০০ টাকা অন্তর্ভুক্ত। এ বছর বিএনসিসি ফি আগের বছরের ৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হয়েছে। তাছাড়া, অনলাইনে আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীকে ২২০ টাকা জমা দিতে হবে। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে রেড ক্রিসেন্ট ফি ২৪ টাকা এবং বার্ষিক ক্রীড়া মঞ্জুরি ফি বাবদ ৪০০ টাকা বোর্ডে প্রেরণের কথাও বলা হয়েছে।




