প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬-এ ইংরেজি বিষয়ে ভালো নম্বর পেতে হলে শর্ট কম্পোজিশন অংশে ভালো প্রস্তুতি জরুরি। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এখানে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ কম্পোজিশন তুলে ধরা হলো।

প্রথম কম্পোজিশনটি ‘ফুড পিরামিড’ নিয়ে। এতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। খাদ্য পিরামিডের বিভিন্ন স্তর সম্পর্কে বলা হয়েছে — নিচের স্তরে রয়েছে শস্য ও চাল, যা বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত। এরপর রয়েছে শাকসবজি ও ফল, যা শরীর সুস্থ ও শক্তিশালী রাখে। দুধ, মাছ, মাংস ও ডিম শরীরের বৃদ্ধিতে সহায়ক। উপরের স্তরে রয়েছে চর্বি ও মিষ্টিজাতীয় খাবার, যা অল্প পরিমাণে খেতে হবে। স্বাস্থ্যকর খাবার রোগ প্রতিরোধ করে এবং দৈনন্দিন শক্তি যোগায়। জাঙ্ক ফুড শরীরের জন্য ক্ষতিকর, তাই অতিরিক্ত ফাস্ট ফুড এড়িয়ে চলা উচিত। খাঁটি পানি পান এবং সুষম খাদ্যের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে এই রচনায়।

‘আমার হোম জেলা’ শিরোনামের দ্বিতীয় কম্পোজিশনে একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ জেলার বর্ণনা রয়েছে। বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা হিসেবে পরিচিত এই এলাকায় স্কুল, কলেজ, বাজার এবং প্রশস্ত রাস্তা রয়েছে। নদী ও সবুজ মাঠ, ধান ও শাকসবজির চাষ, খোলামেলা পরিবেশ — সব মিলিয়ে জেলাটি দর্শনার্থীদের কাছে আকর্ষণীয়। সরল ও বন্ধুত্বপূর্ণ মানুষ, নিয়মিত স্কুলে যাওয়া শিশু এবং বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন এলাকাটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। প্রতিদিন বিকশিত হচ্ছে জেলা, আর সেখানকার মানুষ উন্নত জীবনের জন্য কঠোর পরিশ্রম করছেন।

তৃতীয় কম্পোজিশনে নিজের জন্মদিনের বিশেষ দিনটি নিয়ে লেখা হয়েছে। প্রতি বছর এই দিনটি পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দের সঙ্গে কাটে। বাড়ি সাজানো হয়, নতুন পোশাক পরা হয় এবং ছোট্ট একটি পার্টির আয়োজন করা হয়। কেক কাটা, জন্মদিনের গান গাওয়া, উপহার আদান-প্রদান এবং খেলাধুলা — সবকিছু মিলিয়ে দিনটি হয়ে ওঠে স্মরণীয়। আত্মীয়দের শুভেচ্ছা এবং বাবা-মায়ের আশীর্বাদ দিনটিকে আরও বিশেষ করে তোলে।

চতুর্থ কম্পোজিশনে গতকাল একটি জন্মদিনের পার্টিতে যোগদানের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করা হয়েছে। এটি ছিল লেখকের কাজিনের জন্মদিন উদযাপন। রঙিন বেলুন দিয়ে বাড়ি সাজানো হয়েছিল এবং অনেক অতিথি এসেছিলেন। বড় কেক কেটে সবাই মিলে গান গেয়েছিল, করতালি দিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছিল। নানা রকম সুস্বাদু খাবার পরিবেশন করা হয়েছিল। শিশুরা খেলাধুলা করেছে, ছবি তুলেছে এবং পার্টি সন্ধ্যা পর্যন্ত চলেছে। আয়োজকরা সকল অতিথিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন।

সর্বশেষ কম্পোজিশনটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘূর্ণিঝড় নিয়ে। ঘূর্ণিঝড় একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা প্রচণ্ড বাতাস ও ভারী বৃষ্টি নিয়ে আসে। উপকূলীয় এলাকায় এ ধরনের দুর্যোগ বেশি ঘটে থাকে। ঘূর্ণিঝড়ে গাছ উপড়ে যায়, ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, রাস্তাঘাট ও সেতু ভেঙে পড়ে এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়। অনেকে ঘরবাড়ি ও সম্পত্তি হারান, প্রাণহানিও ঘটে। সরকার আগাম সতর্কবার্তা দিলে মানুষ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে পারে। উদ্ধারকারী দল ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহ করে। দুর্যোগ মোকাবিলায় সব সময় প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।