সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জিমোথি’ নামের এক অদ্ভুতদর্শন রaccoon রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছে। এই প্রাণীটির বাস যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের সিয়াটল শহরে। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়া এর ছবি ও ভিডিও দেখে বিস্মিত হচ্ছেন ব্যবহারকারীরা।

জিমোথির প্রতি আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তার অনন্যসাধারণ গোলাকৃতির শারীরিক গড়ন। সাধারণ রaccoon-এর তুলনায় তার দেহাবয়ব সম্পূর্ণ ভিন্ন হওয়ায় এটি অনলাইনে দ্রুতই ভাইরাল হয়ে ওঠে। পশুটির এহেন চেহারা কীভাবে হলো, তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে নানা কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে মজার ছলে তার নানা নামকরণও করেছেন।

এই প্রসংগে পশু বিশেষজ্ঞরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন, জিমোথির এই শারীরিক গঠন কোনো জিনগত বৈচিত্র্য অথবা স্থূলত্বের ফলে হতে পারে। তবে এটি তার কোনো জন্মগত বিশেষত্ব কিনা, তা নিয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের বিবরণ থেকে জানা যায়, জিমোথিকে প্রায়শই আশপাশে ঘুরে বেড়াতে দেখা যেত, কিন্তু তার এই নতুন রূপ নজরে আসার পর থেকেই সে সবার আগ্রহের পাত্রে পরিণত হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ার জগতে প্রাণীদের পক্ষে এমন ভাইরাল সেনসেশন হওয়া নতুন কিছু নয়, তবে জিমোথির ঘটনা আবারও প্রমাণ করল যে, একটি অসাধারণ বৈশিষ্ট্যের জেরে ইন্টারনেটে কত দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করা যায়। তার এই খ্যাতি এখন পর্যন্ত বিভিন্ন পোস্ট, মিম ও মজাদার মন্তব্যের মাধ্যমে অনলাইন জগতে বিদ্যমান রয়েছে।