দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগের মুখে থাকা র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র্যাব) বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বরং সংস্থাটি নতুন পরিচয়ে যাত্রা শুরু করছে — স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বা এসআরবি নামে। র্যাবের বিরুদ্ধে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং গোপন বন্দিশালা পরিচালনার অভিযোগ বহুদিন ধরেই তুলেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। এই পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ এবং গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান বাহিনীটির বিলুপ্তির সুপারিশ করেছে। একইসাথে জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপিও আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে র্যাব বিলুপ্তির দাবি জানিয়েছিল। তবে এসব দাবি-সুপারিশ উপেক্ষা করেই বাহিনীটিকে নতুন নামে পুনর্গঠিত করা হলো। সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, নাম পরিবর্তন করলেই কি সাংগঠনিক সংস্কার সম্ভব? মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে অভিযোগগুলো ছিল, সেগুলোর নিষ্পত্তি না করে শুধু নাম বদলানোকে অনেকে নিছক কৌশল হিসেবে দেখছেন। ফলে নতুন নামে পরিচিত হলেও পুরনো কাঠামো ও কার্যক্রম বহাল থাকলে আস্থা সংকট কাটবে না বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
র্যাব বিলুপ্ত নয়, নতুন নামে যাত্রা শুরু এসআরবি'র
গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গোপন বন্দিশালার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও র্যাবকে বিলুপ্ত না করে নতুন নামে সাজানো হচ্ছে। জাতিসংঘ ও তদন্ত কমিশনের সুপারিশ এবং বিএনপির দাবি উপেক্ষা করে বাহিনীটি স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) হিসেবে পরিচিত হবে বলে জানা গেছে।




