জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬-এর বিজ্ঞান বিষয়ের প্রস্তুতির জন্য অধ্যায় ১ ও ২ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সংক্ষিপ্ত উত্তর-প্রশ্ন ও উত্তর প্রকাশিত হয়েছে। এগুলো প্রস্তুত করেছেন মো. ফারুক হোসেন, সিনিয়র শিক্ষক, বাংলাদেশ ব্যাংক উচ্চবিদ্যালয়, মতিঝিল, ঢাকা।
প্রথম অধ্যায়ের প্রশ্নগুলোতে ব্যাঙ, সাপ, হাইড্রা, দোয়েল পাখি, নটোকর্ড-মেরুদণ্ড এবং ঝিনুকের শ্রেণিবিন্যাস ও বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ব্যাঙকে উভচর প্রাণী বলার কারণ হলো—এরা ব্যাঙাচি অবস্থায় পানিতে ফুলকার সাহায্যে এবং পরিণত বয়সে ডাঙায় ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়। সাপের বুকে ভর দিয়ে চলার ধরণ ও শুষ্ক আঁইশযুক্ত ত্বকের কারণে তাকে সরীসৃপ প্রাণী বলা হয়। হাইড্রার দেহ এক্টোডার্ম ও এন্ডোডার্ম নামক দুটি ভ্রূণীয় কোষস্তর নিয়ে গঠিত, তাই তাকে দ্বিস্তরবিশিষ্ট প্রাণী আখ্যা দেওয়া হয়। দোয়েল পাখি উড়তে পারে কারণ পক্ষিকুল শ্রেণির সদস্য হিসেবে এর দেহ পালকে আবৃত, ডানা ও ফাঁপা হাড় রয়েছে এবং ফুসফুসের সঙ্গে বায়ুথলি যুক্ত থাকে। নটোকর্ড ও মেরুদণ্ডের পার্থক্য হলো—নটোকর্ড নরম, নমনীয় ও ভ্রূণীয় অবস্থায় থাকে, অন্যদিকে মেরুদণ্ড শক্ত, অনমনীয় ও পরিণত প্রাণীর দেহে বিদ্যমান। ঝিনুকের নরম দেহ শক্ত খোলস দিয়ে আবৃত এবং এটি পেশিবহুল পা দিয়ে চলাচল করে, যা মলাস্কা পর্বের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলে যাওয়ায় তাকে ওই পর্বে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
দ্বিতীয় অধ্যায়ের প্রশ্নগুলোতে ক্রোমোজোম ও কোষ বিভাজন বিষয়ক ব্যাখ্যা স্থান পেয়েছে। ক্রোমোজোমকে বংশগতির ভিত্তি বলা হয় কারণ নিউক্লিয়াসে অবস্থিত ডিএনএ অণু বংশগত বৈশিষ্ট্য ধারণ করে এবং প্রজন্মান্তরে সেগুলো স্থানান্তর করে। অ্যামিবার কোষ বিভাজন প্রত্যক্ষ হিসেবে চিহ্নিত; এই প্রক্রিয়ায় নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম সরাসরি বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি করে, যা অ্যামাইটোসিস বিভাজন নামেও পরিচিত।
প্রকাশিত প্রশ্নোত্তরগুলো জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিজ্ঞান বিষয়ের প্রস্তুতিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা যায়।




