ঢাকায় প্রথম আলো কার্যালয়ে ২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ‘বিনোদন মাধ্যম ও জেন্ডার-সংবেদনশীলতা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বিনোদন শিল্পে লিঙ্গসমতার চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নেদারল্যান্ডস সরকারের সহায়তায় প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের ‘সমতায় তারুণ্য’ প্রকল্প এই আয়োজনের আয়োজন করে। এতে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতি উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ডা. জাহেদ উর রহমান, নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার মাশফিকা জামান সাটিয়া, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোসসহ বিশিষ্ট নাট্যকার, প্রযোজক, অভিনয়শিল্পী ও শিক্ষাবিদরা বক্তব্য রাখেন।

বৈঠকে আলোচকরা অভিমত প্রকাশ করেন যে, বিনোদন মাধ্যম বাজার ও মুনাফার হিসাবের বাইরে নয়, ফলে বেশি চাহিদাসম্পন্ন কনটেন্টের দিকেই নির্মাতারা ঝুঁকে থাকেন। তবে দর্শকের চাহিদা কীভাবে তৈরি হয় এবং কেন নির্দিষ্ট ধরনের কনটেন্ট জনপ্রিয় হয় তা বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উসকানিমূলক ও বিতর্কিত কনটেন্টের দ্রুত প্রসার ঘটাচ্ছে, ব্যবহারকারীরা জেনে বা না জেনে এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন বক্তারা।

শুধু নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থায় নয়, দায়িত্বশীল ও জেন্ডার-সংবেদনশীল কনটেন্টকে দর্শকের কাছে সমানভাবে পৌঁছে দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করতে হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন ডা. জাহেদ উর রহমান। শিল্পের স্বাধীনতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার ভারসাম্য রক্ষা করে বয়সভিত্তিক সার্টিফিকেশন ব্যবস্থাকে কার্যকর করার পরামর্শও এসেছে। জেন্ডার-সংবেদনশীল বিনোদন মাধ্যম গড়ে তোলাকে একটি দীর্ঘমেয়াদি সমষ্টিগত প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্র, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, নির্মাতা, গণমাধ্যম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—সব পক্ষের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। সংবেদনশীল কনটেন্ট নির্মাণে নীতিগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতার অভাবকে বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেন তিনি।

পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই পিতৃতান্ত্রিকতা দ্বারা প্রভাবিত হলেও কাঠামোগতভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের এগিয়ে না আনলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন মাশফিকা জামান সাটিয়া। সমতার অর্থ সবাইকে একই জায়গায় দাঁড় করানো নয়, বরং পিছিয়ে পড়াদের সুযোগ তৈরি করা। তিনি উল্লেখ করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অনলাইননির্ভর এই সময়ে বিনোদন মাধ্যম মানুষের চিন্তা ও আচরণ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, তাই এই মাধ্যম সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তুলতে বড় ভূমিকা নিতে পারে। ‘মীনা’ কার্টুনের মতো ইতিবাচক উদাহরণ তুলে ধরে তিনি নাটক, সিনেমাসহ অন্যান্য কনটেন্টে সামাজিক দায়িত্ববোধ নিয়ে নির্মাণের তাগিদ দেন।

শিশুদের মানসিক বিকাশে বিনোদন মাধ্যমের প্রভাব пожизненный উল্লেখ করে কবিতা বোস বলেন, পরিবর্তনের শুরু পরিবার থেকে হলেও সেটিকে এগিয়ে নিতে হবে বিনোদন মাধ্যমের মাধ্যমে। সমতা, পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার স্বপ্ন দেখাবে এমন গল্পের প্রয়োজন। তিনি বলেন, নারীকে নির্ভরশীল বা দুর্বল হিসেবে দেখানো পরিচিত দৃশ্যগুলোর পরিবর্তে নারী-পুরুষ পরস্পরের সহযোগী হিসেবে উপস্থাপিত হতে পারে এবং পুরুষের দায়িত্ব, মানসিক চাপ ও পারিবারিক বোঝাও নাটক বা সিনেমায় তুলে ধরা উচিত। এ পরিবর্তন একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে আনা সম্ভব নয়, এটি একটি সমষ্টিগত সামাজিক আন্দোলন বলেও মনে করেন তিনি।

বেশিরভাগ নাট্যকার জেন্ডার-সংবেদনশীল নাটক নির্মাণের গভীরতা এখনো বুঝে উঠতে পারেননি বলে মত দেন নাট্যকার ও নির্দেশক মাসুম রেজা। নারী কোথায় আটকে যান, কোন সামাজিক কাঠামো তার স্বাধীন সিদ্ধান্তের পথ সংকুচিত করে—এসব বাস্তবতা গল্পে উঠে আসা প্রয়োজন। তিনি বলেন, আমাদের সমাজে নারীকে জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে ‘কবুল’ করতে শেখানো হয়, এই মানসিক কাঠামো না বুঝলে শক্তিশালী নারী চরিত্র নির্মাণ সম্ভব নয়। প্রযোজকদের ‘নারীকেন্দ্রিক গল্প চলবে না’ এমন ধারণার সমালোচনা করে তিনি উল্লেখ করেন, টেলিভিশনে একটি নাটক এক নামে প্রচারিত হলেও ইউটিউবে চটকদার নামে প্রচার করা হয়, যা বাণিজ্যিক চাপের বড় উদাহরণ।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নারীর প্রতি সহিংসতার নতুন মাত্রার কথা উল্লেখ করে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ডিরেক্টর–ইনফ্লুয়েন্সিং, ক্যাম্পেইন ও কমিউনিকেশন নিশাত সুলতানা বলেন, শুধু সামাজিক বা পারিবারিক পর্যায়ে নয়, গণমাধ্যম ও বিনোদনমাধ্যমেও জেন্ডার-সংবেদনশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি। প্রচলিত নাটক ও চলচ্চিত্রে নারীকে গৃহস্থালি ভূমিকায় সীমাবদ্ধ রাখা হয়, কর্মজীবী নারীকে পারিবারিক অস্থিরতার কারণ হিসেবে দেখানো হয় এবং পুরুষের আবেগ প্রকাশকে দুর্বলতা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়—এমন স্টেরিওটাইপের পুনরাবৃত্তি লক্ষ করা যায়। সংবেদনশীল ভাষা ব্যবহারে প্রশিক্ষণ, অভিনয়শিল্পীদের ওরিয়েন্টেশন এবং চিত্রনাট্য রচনায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে মত দেন তিনি।

দর্শকের চাহিদা নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের পরিচালক–প্রোগ্রামস মাহিন নেওয়াজ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিরা কী ধরনের কনটেন্ট দেখছেন, তা জানা দরকার। গবেষণালব্ধ তথ্য কনটেন্ট নির্মাতা, সম্প্রচারমাধ্যম, নীতিনির্ধারক এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। জেন্ডার-সংবেদনশীলতা একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া, যেখানে বিনোদন মাধ্যম, সংবাদমাধ্যম, শিক্ষাব্যবস্থা, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সহায়তা এবং সামাজিক উদ্যোগ—সবগুলো পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত।

‘ইংলিশ ভিংলিশ’ সিনেমার বাস্তব প্রভাবের উদাহরণ দিয়ে জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের প্রজেক্ট ম্যানেজার সৌরভ সাহা বলেন, একটি সিনেমা মানুষের চিন্তা, আত্মবিশ্বাস ও জীবনযাপনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। ‘সমতায় তারুণ্য’ প্রকল্পে যুবদের সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি প্রতিবছর ‘জেন্ডার-সংবেদনশীল কনটেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। আগামী ডিসেম্বরে ‘নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে প্রতিরোধপক্ষ’ উপলক্ষে এই অ্যাওয়ার্ড আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে ইতিবাচক কনটেন্ট নির্মাতাদের উৎসাহিত করা হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আরও সুস্থ হয়ে উঠবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন ও জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক তানিয়া হক প্রশ্ন তোলেন, আমরা কি সত্যিই বিনোদন উপভোগ করছি নাকি ভোগের শিকার হচ্ছি। তিনি বলেন, নাটক, সিনেমা কিংবা মঞ্চে পুরুষকে পরিবর্তনের চালিকা শক্তি এবং নারীকে সেই পরিবর্তনের গ্রহণকারী হিসেবে দেখানো হয়, যা বাস্তবতার প্রতিফলন নয়। জেন্ডার-সংবেদনশীল বিনোদন নীতির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি মিডিয়া-সংশ্লিষ্ট সবার জন্য জেন্ডার বিষয়ে জ্ঞান ও সংবেদনশীলতা বাড়ানো এবং লেখক দলে অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথা বলেন।

অভিনয়শিল্পী খায়রুল বাসার বলেন, জেন্ডার-সংবেদনশীলতা শুধু নারী-পুরুষের সম্পর্কে সীমাবদ্ধ নয়, শিশুদের বিষয়টিও সমানভাবে ভাবতে হবে। দর্শক হিসেবে আমরা অনেক সময় ভালো গল্পকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিই না, ফলে প্রযোজক মনে করেন নারীকেন্দ্রিক বা সংবেদনশীল গল্পের চাহিদা কম। শুধু নির্মাতার নয়, দর্শকের মানসিকতার পরিবর্তনও জরুরি বলে মনে করেন তিনি। পরিবার থেকে শুরু করে বিনোদনমাধ্যম পর্যন্ত সব পর্যায়ে মানুষ হিসেবে সম্মান ও সমতাবোধ গড়ে তোলার তাগিদ দেন তিনি।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির (বাচসাস) সাবেক সভাপতি রাজু আলীম বলেন, নারীকে পণ্য হিসেবে উপস্থাপনের প্রবণতা বিশ্বব্যাপী দীর্ঘদিনের বাস্তবতা। মূল সমস্যা এখন ইউটিউব, ফেসবুকসহ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে, যেখানে বেশি ভিউর আশায় নাটকের নাম বদলে চটকদার ও জেন্ডার-অসংবেদনশীল শিরোনাম ব্যবহার করা হয়। ভালো গল্প ও পরিচ্ছন্ন নির্মাণের দর্শক এখনো আছে বলে উল্লেখ করে তিনি ডিজিটাল মাধ্যমে জেন্ডার-অসংবেদনশীলতা মোকাবিলায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্রিয় ভূমিকার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

চলচ্চিত্র প্রযোজক মীর মোকাররম হোসেন বলেন, বৈশ্বিক ভারসাম্যহীন বাজারে দর্শক দুর্বল ভোক্তায় পরিণত হয়েছেন, ফলে বাজারের চাপে জেন্ডার-সংবেদনশীল কনটেন্ট তৈরি কঠিন হচ্ছে। আমাদের সাহিত্য ও সংস্কৃতির মধ্যে ক্ষতিকর ধ্যানধারণাকে প্রশ্ন করার ঐতিহ্য থাকলেও নতুন মানবিক গল্প নির্মাণের জন্য গভীর জ্ঞান ও দক্ষ চিত্রনাট্য প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, একটি ওয়েব সিরিজে নারী চরিত্রের গাড়ি চালানোর মতো বাস্তবতা দেখালেও সামাজিক প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হয়। শুধু কঠোর আইন নয়, নীতিগত সহায়তা, শিক্ষা এবং নির্মাতাদের নৈতিক দায়বদ্ধতা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

জেন্ডার-সংবেদনশীলতার মূল বিষয় ক্ষমতার সম্পর্ক বলে মন্তব্য করেন প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের জেন্ডার ফোকাল সানজিদা আহমেদ। তিনি বলেন, শুধু একজন শক্তিশালী নারী চরিত্র দেখালেই জেন্ডার-সংবেদনশীলতা নিশ্চিত হয় না; ক্ষমতার ভারসাম্য ও পারস্পরিক সম্মানই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পুরুষকে সব সময় ক্ষমতাবান, কঠোর ও আবেগহীন হিসেবে উপস্থাপনের ফলে অনেক পরিবারে বাবার সঙ্গে সন্তানের দূরত্ব তৈরি হয়, কর্মজীবন শেষে সেই মানুষটি নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ ইয়ুথ কোয়ালিশনের সেক্রেটারিয়েট ফোকাল সাদিয়া আফরিন হেমা বলেন, স্বাবলম্বী নারী চরিত্রকে প্রায়ই নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়, যেন সে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন বা সম্পর্কের প্রতি উদাসীন। শক্তিশালী নারী চরিত্র মানে অপ্রয়োজনীয় নেতিবাচকতা ছাড়া তার সংগ্রাম, সক্ষমতা ও বাস্তবতাকে তুলে ধরা। যুবদের ভাষায় ব্যবহৃত অসংবেদনশীল শব্দ বিনোদনমাধ্যমে স্বাভাবিকভাবে উপস্থাপন করা হলে সেগুলো আরও বেশি স্বাভাবিক হয়ে ওঠে, যা নিরুৎসাহিত করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ভৈরবী (যুবদের নেতৃত্বাধীন সংগঠন) প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস নবী ফয়সাল বলেন, বর্তমান বিনোদন মাধ্যমে পুরুষকে সব সময় শক্তিশালী ও কর্তৃত্বপূর্ণ হিসেবে দেখানো হয়, কোনো পুরুষকে দুর্বল বা ঘরের কাজ করতে দেখানো হলে সেটি সহজভাবে গ্রহণ করা হয় না। বাণিজ্যিক সাফল্যের কথা ভেবে নারী চরিত্রকে প্রচলিত চাহিদা অনুযায়ী উপস্থাপন করা হয়। নির্মাণপ্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ এখনো সীমিত, বিশেষ করে পরিচালক হিসেবে নারীর উপস্থিতি কম, ফলে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি গল্পে পর্যাপ্তভাবে প্রতিফলিত হয় না।

বৈঠকের আলোচনার ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে জেন্ডার-সংবেদনশীল বিনোদনমাধ্যমের জন্য জাতীয় নীতিমালা ও ব্যবহারিক নির্দেশিকা প্রণয়ন, নির্মাতা ও শিল্পীদের জন্য নিয়মিত জেন্ডার-সংবেদনশীলতা প্রশিক্ষণ, পরিচালক, লেখক ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, যুবদের কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে সম্পৃক্তকরণ, জেন্ডার-সংবেদনশীল কনটেন্ট নির্মাণে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ও পুরস্কার চালু, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে চটকদার শিরোনামের অপব্যবহার নিরুৎসাহিতকরণ, শিশু ও যুবদের জন্য মানবিক মূল্যবোধভিত্তিক কনটেন্ট বৃদ্ধি, নারী-পুরুষ উভয়কে বহুমাত্রিক চরিত্রে উপস্থাপন এবং দর্শকের চাহিদা নিয়ে নিয়মিত গবেষণা পরিচালনা।