বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে গত ৬ আগস্ট দমদমিয়া আলোর পাঠশালায় দিনব্যাপী নানা আয়োজন করা হয়েছে। ২২শে শ্রাবণ উপলক্ষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সকাল সাড়ে ১০টায় সেমিনার কক্ষে কর্মসূচির সূচনা হয়। প্রথমেই কবিগুরুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এরপর শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃত্তি ও উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়, যা অনুষ্ঠানে প্রাণচাঞ্চল্য নিয়ে আসে।

প্রতিযোগিতা শেষে ‘কবিগুরু ও বাংলা সাহিত্য’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক সৈয়দ নুর কবিগুরুর শিশুতোষ কবিতা, সহকারী শিক্ষক মো. জোনায়েদ তাঁর ছোটগল্প, রবিউল আলম নোবেলজয়ী গীতাঞ্জলি কাব্য এবং আমান উল্লাহ রবীন্দ্রসংগীত প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন। প্রধান আলোচকের বক্তব্যে প্রধান শিক্ষক উল্লেখ করেন, ১৯৪১ সালের এই দিনে বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের পতন ঘটেছিল। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ছিলেন জাতির গর্ব ও অনুপ্রেরণার প্রতীক, সাহিত্য থেকে সংস্কৃতি—সব ক্ষেত্রে তাঁর অসামান্য অবদান চিরস্মরণীয়। শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা ও বাঙালির জাতীয় জীবনে রবীন্দ্রনাথের প্রভাবের কথাও তিনি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।

আলোচনা সভার পরপরই উপস্থাপিত বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে একটি কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। দিনের সমাপনী পর্যায়ে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষা উপকরণ তুলে দেওয়া হয়। প্রধান শিক্ষকের সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে সফলভাবে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।