মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে লামিনে ইয়ামালের প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়া সান্তোসের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে বিপুল সংখ্যক অনুসারী যুক্ত হয়েছে। স্পেন বিশ্বকাপ জয়ের পর রবিবার রাতে তাঁর ফলোয়ার সংখ্যা ১০ লাখ থেকে লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়ায় ২৪ লাখে—অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে প্রায় ১৪ লাখ মানুষ নতুন করে তাঁকে অনুসরণ করতে শুরু করেন।

২১ বছর বয়সী ইনেস গার্সিয়া সান্তোস পেশায় একজন মডেল ও ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্সার। স্পেনের সেভিলে তাঁর বাড়ি। ফ্যাশন, পোশাক, ত্বকের যত্ন, ভ্রমণ ও দৈনন্দিন জীবন নিয়ে কনটেন্ট তৈরি করেই তিনি ইনস্টাগ্রামে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। বর্তমানে তাঁর মোট ফলোয়ার সংখ্যা ২৪ লাখ ছাড়িয়েছে।

২০২৪ সালে ইনস্টাগ্রামে সরাসরি বার্তা পাঠিয়ে সম্পর্কের সূত্রপাত ঘটান লামিনে ইয়ামাল। এরপর ২০২৬ সালের এপ্রিলে গ্রিসে একসঙ্গে ছুটি কাটানোর সময় হাত ধরে হাঁটার ছবি প্রকাশিত হলে তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। একই বছরের মে মাসে বার্সেলোনার ঘরোয়া তিনটি শিরোপা জয়ের উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রথমবার প্রকাশ্যে একসঙ্গে দেখা দেন তাঁরা। বার্সেলোনার অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রামেও তাঁদের সেই ছবি প্রকাশিত হয়।

বিশ্বকাপজুড়ে গ্যালারিতে বসে ইয়ামালকে সমর্থন করতে দেখা গেছে ইনেসকে। ফাইনাল ম্যাচেও তিনি মেটলাইফ স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বকাপ জয়ের পর স্পেনের খেলোয়াড়রা যখন মাঠে উদযাপন করছিলেন, তখন ইনেস মাঠে নেমে ইয়ামালের কোঁকড়া চুলে বিলি কেটে দেন এবং টিস্যু ছুড়ে মারার মতো খুনসুটিও করেন। সেই মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ইয়ামাল তাঁর বিশ্বকাপের প্রথম গোলটি উৎসর্গ করেছিলেন তাঁর মা, প্রেমিকা, বন্ধুবান্ধব ও শৈশবের এলাকা মাতারোবাসীদের উদ্দেশে। গ্রুপ পর্বে সৌদি আরবের বিপক্ষে ৪-০ গোলের জয়ের ম্যাচে তিনি এই গোল করেন। ম্যাচ শেষে সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্টভাবে ইনেসের নাম উল্লেখ করেন।

উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন শহরেও একসঙ্গে ভ্রমণ করেছেন এই জুটি। নিউইয়র্কে গভীর রাতে একটি হালাল ফুড কার্টে তাঁদের একসঙ্গে খাবার খাওয়ার ছবিও প্রকাশিত হয়েছিল। ইয়ামাল ও ইনেসের এই বন্ধুত্বপূর্ণ প্রেমের সম্পর্ক ভবিষ্যতে কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়। তবে ইতিমধ্যে স্পেনের বিশ্বকাপ উদযাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে উঠেছেন ইনেস গার্সিয়া সান্তোস।