ইরাক যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ জ্বালানি কোম্পানি শেভরন ও এক্সনমোবিলের সঙ্গে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল অঙ্কের জ্বালানি চুক্তি সম্পাদন করেছে। কিন্তু এই চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে ওয়াশিংটন বাগদাদকে কৌশলগতভাবে ইরান ও চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষার জন্য চাপ দিচ্ছে। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বাগদাদ সরকার একদিকে যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করছে, অন্যদিকে ওয়াশিংটন চায় না যে ইরাক প্রতিবেশী ইরান বা শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদার চীনের প্রভাব বলয়ে পুরোপুরি চলে যাক। এই ভূ-রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ইরাকের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ মেলানো। মার্কিন প্রশাসন চুক্তির মাধ্যমে ইরাকে নিজেদের উপস্থিতি সুসংহত করতে চাইলেও, তেহরান ও বেইজিং তাদের দীর্ঘদিনের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক প্রভাব সহজে ছাড়তে নারাজ। ফলে ইরাককে এক জটিল কূটনৈতিক ভারসাম্যের মধ্য দিয়ে চলতে হচ্ছে।