পাঁচতারকা হোটেল সারিনা ঢাকা তাদের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে। এই দীর্ঘ পথচলায় শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্যই নয়, বরং বাংলাদেশের আতিথেয়তা শিল্পে বিশ্বমানের সেবার উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে হোটেলটি। ২০০৩ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকেই দেশি-বিদেশি অতিথিদের কাছে আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছে এই ঠিকানা। আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী, কূটনীতিক, রাষ্ট্রদূত, কর্পোরেট প্রতিনিধি থেকে শুরু করে অবকাশযাপনকারী—সবার জন্যই এটি একটি পরিচিত ও নির্ভরযোগ্য স্থান হিসেবে বিবেচিত। গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মেলন, কূটনৈতিক সংবর্ধনা, কর্পোরেট অনুষ্ঠান কিংবা জমকালো বিবাহের আয়োজন—সব ক্ষেত্রেই পেশাদারিত্বের ছাপ রেখে চলেছে হোটেলটি। বর্তমানে হোটেলটিতে ১৮০টি আধুনিক কক্ষ ও স্যুইট রয়েছে। আরাম, নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধার সমন্বয়ে প্রতিটি কক্ষ অতিথিদের জন্য স্বাচ্ছন্দ্যময় অভিজ্ঞতা তৈরি করে। ব্যবসায়িক সফর হোক বা অবকাশযাপন, উভয় ক্ষেত্রেই অতিথিদের চাহিদা পূরণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় এখানে। হোটেল সারিনার আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো এর বৈচিত্র্যময় খাবারের আয়োজন। ভারতীয় খাবারের জন্য জনপ্রিয় ‘অমৃত’, ইতালীয় স্বাদের জন্য পরিচিত ‘রিসোত্তো’ এবং হোটেলের অন্যান্য রেস্তোরাঁ, ক্যাফে ও বার অতিথিদের সামনে দেশি-বিদেশি নানা স্বাদের পদ তুলে ধরে। ফলে শুধু থাকার জন্যই নয়, রসনাবিলাসের জন্যও এটি অনেকের পছন্দের গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের সেবা ও আধুনিক অবকাঠামোর কারণে হোটেল সারিনা বর্তমানে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা, দূতাবাস, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের অন্যতম পছন্দের ভেন্যু। অতিথিকেন্দ্রিক সেবা এবং প্রতিটি আয়োজনকে নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করার অঙ্গীকারই এই সুনামের মূল ভিত্তি। গত ২৩ বছরে হোটেল সারিনা শুধু সেবার মান বাড়িয়েই থেমে থাকেনি; বরং প্রযুক্তির ব্যবহার, অবকাঠামোর উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ এবং টেকসই উন্নয়নের দিকেও সমান গুরুত্ব দিয়েছে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অতিথিদের অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে নিয়মিত নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেবার উৎকর্ষের স্বীকৃতি হিসেবে একাধিক আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন করেছে হোটেলটি। ট্রিপঅ্যাডভাইজর ট্রাভেলার্স চয়েস অ্যাওয়ার্ড, ওয়ার্ল্ড লাক্সারি হোটেল অ্যাওয়ার্ডস, বুকিং ডটকম ট্রাভেলার রিভিউ অ্যাওয়ার্ডস এবং লিডিং বিজনেস হোটেলসহ বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার পেয়েছে তারা। অতিথিদের ইতিবাচক মূল্যায়নও এই সাফল্যের পেছনে বড় প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই দীর্ঘ যাত্রার প্রতিটি অর্জনের পেছনে রয়েছে অতিথিদের অবিচল আস্থা, ব্যবসায়িক অংশীদারদের সহযোগিতা এবং কর্মীদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই হোটেল সারিনাকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে। ২৩ বছরের এই উদযাপন তাই শুধু একটি বর্ষপূর্তি নয়; এটি আস্থা, সম্পর্ক এবং বিশ্বমানের আতিথেয়তার এক দীর্ঘ যাত্রার উদযাপন। আগামী দিনেও উদ্ভাবনী উদ্যোগ, ব্যক্তিকেন্দ্রিক সেবা এবং টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের আতিথেয়তা ও পর্যটন শিল্পে নতুন মান তৈরি করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে হোটেল সারিনা ঢাকা।
আস্থার ২৩ বছর: হোটেল সারিনা ঢাকার সাফল্যের গল্প
হোটেল সারিনা ঢাকা তাদের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে। পাঁচতারকা এই হোটেলটি আন্তর্জাতিক মানের সেবা, বৈচিত্র্যময় খাবার ও আধুনিক অবকাঠামোর মাধ্যমে দেশি-বিদেশি অতিথিদের আস্থা অর্জন করেছে। একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কারও পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।




