যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা রাজ্য বর্তমানে শক্তি-বিরোধী আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি পেলিকান ইনস্টিটিউট নামক একটি গবেষণা সংস্থা এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে এই আন্দোলনে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনটি অনুযায়ী, লুইজিয়ানায় শক্তি-বিরোধী কার্যক্রম পরিচালনায় ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ ঢালা হচ্ছে। এই অর্থ রাজ্যের অভ্যন্তরীণ ও বাইরের বিভিন্ন সংস্থা থেকে আসছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পেলিকান ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এই বিপুল অর্থপ্রবাহ মূলত রাজ্যের জ্বালানি উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। লুইজিয়ানা যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান তেল ও গ্যাস উৎপাদনকারী অঞ্চল হওয়ায় সেখানে শক্তি-বিরোধী আন্দোলন তীব্রতর হয়েছে। প্রতিবেদনটি এই আন্দোলনের পেছনে অর্থায়নের উৎস ও কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেছে।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, এই অর্থের একটি বড় অংশ পরিবেশগত সংগঠন এবং তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। তবে পেলিকান ইনস্টিটিউটের মতে, এই ধরনের অর্থায়ন রাজ্যের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। লুইজিয়ানায় শক্তি-বিরোধী আন্দোলনকে ঘিরে বিতর্ক অব্যাহত থাকায় বিষয়টি জাতীয় পর্যায়ে আলোচিত হচ্ছে।