মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ ইরানের অর্থনীতির জন্য কতটা বড় ধাক্কা হতে পারে, তা নিয়ে এখন চলছে ব্যাপক বিশ্লেষণ। তবে এ কথা ঠিক যে, গত কয়েক বছর ধরেই ইরান তার অর্থনীতিতে আরোপিত কঠোর নিষেধাজ্ঞাগুলোর বিরুদ্ধে নানা কৌশল অবলম্বন করে আসছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনে বিকল্প পথ খুঁজে নেওয়ার ক্ষেত্রে ইরান বেশ দক্ষতা দেখিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশ।
তবে প্রশ্ন হলো, এবারের পরিস্থিতি কি আগের চেয়ে ভিন্ন? ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন এই কৌশল কি এমন কিছু শর্ত বা ব্যবস্থা নিয়ে এসেছে, যা ইরানের জন্য আগের নিষেধাজ্ঞাগুলোর চেয়েও বেশি চাপ সৃষ্টি করবে? বিশেষ করে ইরানের তেল রফতানি, ব্যাংকিং লেনদেন এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উপর এর প্রভাব কতটা গভীর হতে পারে, সে বিষয়েই মূলত আলোচনা চলছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ইতোমধ্যে নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার মতো একটি স্থিতিস্থাপক অর্থনৈতিক কাঠামো তৈরি করেছে। তবে নতুন করে আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলোর পরিধি কতটা বিস্তৃত, তা দেখার উপরই নির্ভর করছে প্রকৃত প্রভাব। দেশটির মুদ্রার মান, মূল্যস্ফীতির হার এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার উপর এই নীতির কুপ্রভাব পড়তে পারে, যদিও তাৎক্ষণিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে না যে ইরান বাধা অতিক্রমের পথ খুঁজে পাবে কি না।




