ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার রাঙাটুঙ্গি গ্রামের উদীয়মান ফুটবল প্রতিভাদের উৎসাহিত করতে পুনরায় এক বছরের বৃত্তি প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কিশোর আলো। রাঙাটুঙ্গি ইউনাইটেড ফুটবল একাডেমির ৭০ জন কিশোরী ফুটবলার, যারা গত এক বছর এই বৃত্তির সুবিধা পেয়েছিলেন, আগামী এক বছরও এই আর্থিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে। এই বৃত্তির যাবতীয় অর্থায়ন করেছেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য রুবানা হক, যিনি তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে এই অর্থ প্রদান করেছেন এবং কিশোর আলো সেই অর্থের মাধ্যমে ফুটবলারদের সহায়তা পৌঁছে দেবে।
রাঙাটুঙ্গি গ্রামটি বর্তমানে নারী ফুটবলে একটি বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে। বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের খেলোয়াড় সাগরিকা এই গ্রামের মাঠ থেকেই উঠে এসেছেন। এছাড়া জাতীয় দলের জার্সিতে আরও কয়েকজন ফুটবলারের অবদান এই গ্রামেরই। তাঁদের এই সাফল্য বর্তমান প্রজন্মের কিশোরীদের অনুপ্রাণিত করেছে এবং তারা এখন জাতীয় দলের সদস্য হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। এই স্বপ্ন পূরণে এবং নিয়মিত ফুটবল অনুশীলনের সুযোগ করে দিতেই কিশোর আলো তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে।
এর আগে ২০২৫ সালের ৭ অক্টোবর রাঙাটুঙ্গি ইউনাইটেড ফুটবল একাডেমির মাঠে এক বিশেষ কর্মসূচিতে কিশোর আলোর সম্পাদক আনিসুল হক উপস্থিত ছিলেন। তিনি সেখানে পুরো দলের সঙ্গে গিয়ে ৭০ জন ফুটবলারকে এক বছরের বৃত্তি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন এবং অক্টোবর মাসের বৃত্তির অর্থ তাদের হাতে তুলে দেন। কিশোরীদের ফুটবলার হিসেবে গড়ে তুলতে এবং তাদের জাতীয় দলের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সঙ্গী হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। নিয়মিত অনুশীলন বজায় রাখা এবং ফুটবলের প্রতি আগ্রহ ধরে রাখতে এই আর্থিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।




