মানসিক অস্থিরতা বা দুশ্চিন্তার কারণে যখন কোনো ব্যক্তি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন, তখন তিনি মানসিক চাপের সম্মুখীন হন। এই পরিস্থিতি থেকে দ্রুত পরিত্রাণ পাওয়ার আশায় অনেকেই সিগারেট, ঘুমের ওষুধ কিংবা বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্যের মতো অত্যন্ত ক্ষতিকর উপাদানের প্রতি ঝুঁকে পড়েন। তবে এই সাময়িক স্বস্তি মানুষকে দীর্ঘমেয়াদী এবং ভয়াবহ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয় বলে সতর্ক করা হয়েছে।
প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত একটি অনলাইন মাদকবিরোধী পরামর্শ সভায় এই বিষয়ে আলোকপাত করেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সরদার আতিক। ‘মানসিক চাপ সামলাবেন কীভাবে’ শীর্ষক ওই আলোচনায় তিনি জানান, জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো মানসিক চাপ, তবে এর সমাধান কখনোই মাদক হতে পারে না। অনেকে সাময়িক উপশমের প্রত্যাশায় মাদক গ্রহণ শুরু করলেও পরবর্তীতে তা স্থায়ী আসক্তিতে পরিণত হয়।
ডা. সরদার আতিক বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঘুমের ওষুধ সেবন করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সাময়িক স্বস্তির জন্য নেওয়া এই ‘শর্টকাট’ পথগুলো শেষ পর্যন্ত মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করে তোলে। তাই ক্ষতিকর উপায়ের ওপর নির্ভর না করে একটি সুস্থ ও সঠিক জীবনধারা বজায় রাখার মাধ্যমে মানসিক চাপের মোকাবিলা করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।




