শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক ও সামরিক অবদান স্মরণ করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং বিএনপি নেতা শাহাদাত হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহীরাই তাঁকে ব্যারাক থেকে বের করে সাধারণ জনতার মাঝে নিয়ে এসেছিলেন। শনিবার সকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নগরীর বিপ্লব উদ্যানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা বলেন।
শাহাদাত হোসেনের মতে, জিয়াউর রহমান একজন প্রকৃত সৈনিক ছিলেন যিনি দেশের জন্য যুদ্ধ করার পর পুনরায় ব্যারাকে ফিরে গিয়েছিলেন। সেই নিষ্ঠার পুরস্কার হিসেবেই সিপাহীরা তাঁকে জনতার কাতারে নিয়ে আসেন এবং পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই ঘটনার মাধ্যমেই মূলত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটে। রাষ্ট্রপতি জিয়ার রাজনৈতিক দূরদর্শিতার ফলেই বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও গণতান্ত্রিকভাবে সমৃদ্ধির পথে এগিয়েছিল। বিশেষ করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল অপরিসীম।
দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, বর্তমান জিডিপিতে কৃষি, তৈরি পোশাক শিল্প এবং মানবসম্পদ যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, তার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন জিয়াউর রহমান। তাঁর শাসনামলেই এই খাতগুলো দেশের অর্থনৈতিক মূলধারায় যুক্ত হয়, যা বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সহায়তা করে।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে শাহাদাত হোসেন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আদর্শকে সামনে রেখে তারেক রহমান যেভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তা অতুলনীয়। বিশেষ করে শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতার যে দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করছেন, তা অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা। গভীর রাত পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি বুঝিয়ে দিচ্ছেন যে, দেশের জন্য কাজ করতে হবে।
দিনটি উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ এবং সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বিপ্লব উদ্যানে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এছাড়া দিবসটি স্মরণ করে মহানগর বিএনপির উদ্যোগে একটি রক্তদান কর্মসূচিও পালন করা হয়েছে।




