মোহাম্মদ সাহেদ করিম, যিনি রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচিত, তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ প্রদান করেছে আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক দায়ের করা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং মানি লন্ডারিংয়ের মামলার প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন দুদকের আবেদনের শুনানি শেষে এই নির্দেশ দেন। দুদকের আইনজীবী দেলোয়ার জাহান রুমি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালতে উপস্থিত হয়ে সাহেদের পক্ষে তাঁর আইনজীবী দবির উদ্দিন জামিনের আবেদন দাখিল করেন। তবে ওই আবেদনের ওপর তাৎক্ষণিকভাবে কোনো শুনানি হয়নি। আইনজীবী দবির উদ্দিন জানান, আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারিত হয়েছে, ওই দিনই জামিন আবেদনের পাশাপাশি অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এই একই মামলায় সাহেদের স্ত্রী সাদিয়া আরবী ইতিমধ্যে মুক্তি পেয়েছেন; তিনি গত ১ সেপ্টেম্বর জামিন লাভ করেন।
মামলার নথি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ২০২১ সালের ৭ মার্চ এই মামলাটি দায়ের করে দুদক। দীর্ঘ তদন্ত প্রক্রিয়ার পর ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি সাহেদ এবং তাঁর স্ত্রী সাদিয়ার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। এর আগে দীর্ঘ সময় জেল খাটবার পর সাহেদ মুক্তি পেয়েছিলেন, তবে গত ২০ জুলাই তাঁকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়। উল্লেখ্য, করোনা মহামারির সময়ে কোভিড পরীক্ষার নমুনায় জালিয়াতির অভিযোগ ওঠার পর সাহেদ ব্যাপক আলোচনায় আসেন। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে ৩৫টিরও বেশি মামলা প্রচলিত রয়েছে।




