ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের দিকনির্দেশনা নির্ধারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লোকপ্রশাসন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (ডুপা) একটি কৌশলগত পরিকল্পনা কর্মশালার আয়োজন করে। গত ১১ জুলাই মুন্সিগঞ্জের মাওয়াঘাটের পদ্মা সেতু সার্ভিস এরিয়া-১-এ দিনব্যাপী এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালার শুরুতে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ডুপার সভাপতি ও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। সূচনা পর্বে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও অতিরিক্ত সচিব এএসএম হুমায়ুন কবীর কর্মশালার লক্ষ্য, প্রয়োজনীয়তা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার রূপরেখা ব্যাখ্যা করেন। সেশন পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ডুপার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কর্মশালা বাস্তবায়ন উপকমিটির আহ্বায়ক ড. এ কে এম সাইফুল্লাহ্। তিনি অংশগ্রহণমূলক আলোচনা ও দলগত কাজ পরিচালনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডুপার ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক রাষ্ট্রদূত রুহুল আলম সিদ্দিকী, ভাইস প্রেসিডেন্ট ফরহাদ জেসমীন লিটি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম সচিব রিয়াসাত আল ওয়াসিফ, যোগাযোগ-প্রকাশনা সম্পাদক রত্না শারমীন ঝরা, সাংগঠনিক সম্পাদক হোসনে আরা বেগম, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক মঈনা খাতুন তুলি, যুগ্ম শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ড. মোসা. শামসুন্নাহার হীরা, মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক মোঃ আসাদুল্লাহিল গালিব, দপ্তর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য আসাদুল মাহবুব সালাম (নিপু), সমাজকর্মী মোহাম্মদ এরশাদ খান, ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানির ব্যবস্থাপক রফিকুল হক ও ব্যবসায় উদ্যোক্তা মো. সাইফুল্লাহ। প্রত্যেকে নিজ নিজ অভিজ্ঞতা ও মতামত উপস্থাপন করেন।
প্রধান আলোচনা পর্বে ‘ড্রিমিং ফিউচার ডুপা’, ‘ড্রিম টার্নিং ইনটু রিয়েলিটি’ এবং ‘অ্যাকশন প্ল্যান প্রিপারেশন’ শীর্ষক তিনটি বিষয়ে হাতে-কলমে দলভিত্তিক মতবিনিময় হয়। সংগঠনের দীর্ঘমেয়াদি ভিশন, লক্ষ্য অর্জনের কৌশল ও তা বাস্তবায়নের সময়োপযোগী পরিকল্পনা নিয়ে গঠনমূলক প্রস্তাব আসে। আলোচনা শেষে প্রাপ্ত সুপারিশের আলোকে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কর্মশালার ফাঁকে সম্প্রতি যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পাওয়ায় যোগাযোগ-প্রকাশনা সম্পাদক রত্না শারমীন ঝরাকে ডুপার পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।
সভাপতি জালাল আহমেদ তাঁর বক্তৃতায় বলেন, কোনো সংগঠনের দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের জন্য পরিকল্পিত চিন্তা, ধারাবাহিক কর্মপরিকল্পনা ও সবার অংশগ্রহণের বিকল্প নেই। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই কর্মশালা ডুপাকে আরও শক্তিশালী ও অনুকরণীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করবে। সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর বলেন, অ্যালামনাই সংগঠনের প্রকৃত শক্তি সদস্যদের সম্পৃক্ততার মধ্যে নিহিত। তিনি ডুপার ইতিহাসে প্রথম এ ধরনের কৌশলগত কর্মশালাকে ঐতিহাসিক উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করে সবাইকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।
আয়োজকরা মনে করেন, এই কর্মশালায় গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ডুপা সদস্য, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সমাজের জন্য একটি কার্যকর ও অনুপ্রেরণাদায়ক প্ল্যাটফর্ম হবে।

