মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে চলতি মাসে নতুন আটতলা ভবন চালু হওয়ার পর থেকে রোগী ও তাদের স্বজনদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও টাকা চুরির ঘটনা বেড়ে যায়। অধিকাংশ চুরি হাসপাতালের লিফটে ঘটে। এরই মধ্যে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে একটি ঘটনা ঘটে। মেহেরপুর পৌরসভার বাসিন্দা হাসান আলী তাঁর স্ত্রীকে হাসপাতালে দেখতে আসেন। তিনি দুই মেয়েকে নিয়ে লিফটে করে পঞ্চম তলায় নারী ও শিশু ওয়ার্ডে যান। সেখানে গিয়ে তাঁর ছোট মেয়ের হাতের সোনার ব্রেসলেট খোয়া যায়। এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালে নিযুক্ত আনসার সদস্যরা তল্লাশি শুরু করেন। আচমকা নিচতলায় জাহিদুর রহমান নামে এক রোগী তাঁর পকেট থেকে টাকা নেওয়ার সময় এক নারীকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। ‘পকেটমার ধর’ বলে চিৎকার করলে আনসার সদস্যরা ও রোগীর স্বজনেরা এগিয়ে আসেন। তাঁরা ওই নারীকে আটক করেন। এ সময় তাঁর সহযোগী বলে আরও পাঁচ নারী তাঁকে ছাড়াতে আসলে তাঁদেরও আটক করা হয়। পরে জানা যায়, আটক ছয় নারী জামালপুর জেলার বাসিন্দা। তাঁরা মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি গ্রামে ভাড়া বাসায় থাকতেন। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সাজ্জাদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের আগেই নির্দেশনা দেওয়া ছিল। তিনি আরও বলেন, আজ ছয়জনকে আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। আনসার সদস্যদের আরও সতর্ক থাকতে হবে। আটকদের থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মেহেরপুর সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর জানান, তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
মেহেরপুর হাসপাতালে পকেটমার চক্রের ছয় নারী আটক
মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে পকেটমারির ঘটনায় ছয় নারীকে আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের লিফটে ও ভবনে চুরির ঘটনা ঘটছিল। এক রোগী হাতেনাতে পকেটমার ধরার পর তাদের আটক করা হয়। তারা জামালপুরের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে।




