কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অগ্রযাত্রা যে শুধু শিল্পখাতকেই বদলে দেবে তা নয়, বরং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সময় ও অর্থ ব্যয়ের অভ্যাসেও বিপুল পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন বিনিয়োগকারীরা। সিএনবিসির ‘দ্য চায়না কানেকশন’ নিউজলেটারের সর্বশেষ বিশ্লেষণে এই ধারণাটিই স্পষ্ট হয়েছে।
বিনিয়োগ বিশ্বের একটি বড় অংশ এখন এমন প্রতিষ্ঠানের পেছনে অর্থ লাগাচ্ছে, যারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক গ্রাহক সেবা বা পণ্য উদ্ভাবনে কাজ করছে। এই বিনিয়োগ প্রবণতা ইঙ্গিত দেয় যে, ভবিষ্যতে ভৈাক্তা হিসেবে আমরা যেভাবে কেনাকাটা করি, বিনোদন গ্রহণ করি বা সময় কাটাই, তার মূলে থাকবে এআই-চালিত ব্যবস্থা।
নিউজলেটারটিতে এই ‘এআই কনজিউমার বেট’-কে চমকপ্রদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, কারণ সাধারণত প্রযুক্তি খাতে বাণিজ্যিক বা উৎপাদনমুখী অ্যাপ্লিকেশনকেই বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমান সংকেত বলছে, ব্যক্তিগত জীবনে এআইয়ের প্রভাব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হতে চলেছে।
বিশেষত, চীনের বাজার এই পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সেখানে প্রযুক্তি গ্রহণকারী বিপুল জনগোষ্ঠী দ্রুত নতুন এআই-নির্ভর সেবা ও পণ্যে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। ফলশ্রুতিতে, আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজারেও এই ধারার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে, যেখানে এআই-সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর প্রতি আগ্রহ ক্রমাগত বাড়ছে।
সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ধারা বোঝা যাচ্ছে যে বিনিয়োগকারীরা ভবিষ্যদ্বাণী করছেন, এআই মানুষের দৈনন্দিন সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে গভীরভাবে প্রভাবিত করবে। সময় ও অর্থ কোথায় ব্যয় হবে, তা নির্ধারণ করবে অ্যালগোরিদম বা এআই সহকারী। এর ফলে বাজারে এক নতুন ধরনের ভোক্তা অর্থনীতি গড়ে ওঠার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।




