ক্যালিফোর্নিয়ায় কয়েকদিনের সফরে গিয়েছিলেন এক বাংলাদেশী ভ্রমণকারী। ওয়াশিংটন ডিসির রেগান বিমানবন্দর থেকে সাউথওয়েস্ট এয়ারের ফ্লাইটে শিকাগো হয়ে তিনি সানফ্রান্সিসকো পৌঁছান। সেখান থেকে বন্ধু তাকে মিলপিটাসে নিজ বাসায় নিয়ে যান। মিলপিটাস এলাকাটি সিলিকন ভ্যালি সংলগ্ন হওয়ায় সেখানে ফেসবুক, মাইক্রোসফট, এনভিডিয়া, ক্যানন ও অ্যাপলের ক্যাম্পাস অবস্থিত।
প্রথম দিনেই তিনি অ্যাপল ক্যাম্পাস ঘুরে দেখেন এবং একটি বিশাল শপিং মলে যান। কস্টকো ও ওয়ালমার্ট থেকে খাবার কেনা হয়, বিশেষ করে স্টেকের জন্য দামি গরুর মাংস। বন্ধু ফিউশন রান্না তৈরি করেন এবং তারা কোরিয়ান সি উইডসহ স্টেক উপভোগ করেন।
দ্বিতীয় দিনে ভ্রমণকারী সানফ্রান্সিসকো শহর ঘুরে দেখেন। বার্ট মেট্রোরেলে চড়ে চায়নাটাউন, এম্বারকাডেরো ও পিয়ার ৩৯ এলাকা পরিদর্শন করেন। পিয়ার ৩৯ থেকে মুনি বাসে চড়ে গোল্ডেন গেট ব্রিজের পাদদেশে যান। শেষ বিকেলের আলোতে সেতুটি ও আলকাত্রাজ দ্বীপের দৃশ্য উপভোগ করেন। পরে কাঠের ট্রামে চড়ে শহরের বাণিজ্যিক এলাকা ঘুরে দেখেন। সেখানে না খেয়েই বার্টে করে বন্ধুর আত্মীয়ের বাড়িতে যান। পাহাড়ি এলাকা থেকে সূর্যাস্ত দেখার অভিজ্ঞতা লাভ করেন। রাতে বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে এক পার্সিয়ান রেস্তোরাঁয় খাবার খান এবং আইসক্রিম পার্লারে নোনতা আইসক্রিমের স্বাদ নেন।
তৃতীয় দিনে বন্ধুর সাথে সান হোজে শহরের পাহাড়ি এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি। পাহাড় থেকে পুরো শহর দেখা যায় এবং মারমটের মতো প্রাণী দেখতে পান। পরে উপসাগরের আরেক প্রান্তে যান এবং একসময়ের বিশ্বের দীর্ঘতম সেতু পার হন। বন্ধু তাকে মিলপিটাস বার্ট স্টেশনে নামিয়ে দিলে তিনি একাই সান হোজে শহর ঘুরে দেখেন। সেখানে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের করের অর্থে শহর নতুন করে সাজানো হচ্ছে বলে জানান তিনি। বিকালে বন্ধু তাকে একটি ন্যাচার রিজার্ভে নিয়ে যান, যেখানে লবণের সমভূমি ও সূর্যাস্তের দৃশ্য তাকে মুগ্ধ করে। পরে তারা একটি মেগা মলে ফ্যাক্টরি আউটলেট থেকে কেনাকাটা করেন।
ভ্রমণকারী জানান, পরের দিন তারা নাপা ভ্যালি ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন। নাপা ভ্যালি আঙুর বাগান ও ওয়াইনের জন্য বিশ্বখ্যাত এবং নিউ ওয়ার্ল্ড ওয়াইনে এর অবস্থান শীর্ষে। নাপার পথের সৌন্দর্যও বিখ্যাত বলে তিনি উল্লেখ করেন।




