সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বিখ্যাত পর্যটনকেন্দ্র জাফলংে বিজিবি ক্যাম্পের সংলগ্ন সরকারি খাসজমি দখল করে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও দোকানপাট নির্মাণের অভিযোগের সত্যতা উপজেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি যাচাই করেছে। গত ১৩ জুলাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুনের কাছে প্রেরণ করেছেন। এর আগে গত ১০ এপ্রিল এক দৈনিকের প্রতিবেদনে জাফলংে অবৈধ স্থাপনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ পাওয়ার পর জেলা প্রশাসকের নির্দেশে এই তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছিল।
তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গোয়াইনঘাট উপজেলার চৈলাখেল তৃতীয় খণ্ড মৌজার সরকারি খাসজমির একটি অংশ বিজিবি অধিগ্রহণ করলেও অবশিষ্ট প্রায় ৪ দশমিক ৮৬ একর জমি বিভিন্ন ব্যক্তি অবৈধভাবে দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করেছে। প্রতিবেদনে সরকারি জমিতে গড়ে ওঠা কমপক্ষে ৫০টি দোকানপাটের উপস্থিতি উল্লেখ করা আছে। তদন্তে সনাক্ত আটজন ব্যবসায়ীর নাম হলেন— গোয়াইনঘাটের নলজুরী এলাকার আবদুল কুদ্দুছ ও তাঁর ভাই ফারুক আহমদ, গোয়াইনঘাট মোহাম্মদপুরের আনোয়ার হোসেন অভিধান জুবের আহমদ, জৈন্তাপুরের কানিকপাড়া এলাকার নুরুজ্জামান, গোয়াইনঘাট লাখেরপাড় এলাকার আলম বখত, বাবুল বখত, রায়হান ও উমর আলী।
তদন্ত প্রক্রিয়া বর্ণনা করে ইউএনও রতন কুমার অধিকারী জানান, গত ২৪ জুন ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. আবদুল মোনায়েম প্রথম তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাছে জমা দেন। পরে সেখান থেকে প্রতিবেদনটি ইউএনও কার্যালয়ে পৌঁছায়। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনার অপেক্ষায় بعدের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
স্থানীয় 주민রা দাবি করছেন, পর্যটনকেন্দ্রের সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষা নিমিত্ত দখলকৃত জমি অবিলম্বে মুক্ত করতে হবে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনানুস ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে।



