তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ বজলুর রশিদ জানিয়েছেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এবং দুই দেশের ইমিগ্রেশন পুলিশের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে ১০ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রহণ করা হয়। পরিচয় যাচাইসহ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আজ দুপুরে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে এদের হস্তান্তর করে বিএসএফ। যারা ফিরেছেন তারা হলেন—রাজশাহীর বশির আহমেদ (২০) ও আহসান হাবীব (১৯), চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাদশাহ মিয়া (২৯), সাজাদ (২১), রুবেল মিয়া (৩৫) ও আল মামুন (২৮), শেরপুরের মনিরুল ইসলাম (২২), নেত্রকোনার রেজাউল ইসলাম (২৮), জাহিদুল ইসলাম (২৪) ও কাজিমুদ্দিন (২৪)। প্রত্যেকে ভারতের বিভিন্ন কারাগারে সাজা ভোগ করেছেন।

তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এসব ব্যক্তি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের কালীগঞ্জ সীমান্ত ও সিলেটের একটি সীমান্ত এলাকা দিয়ে বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। পরে বিএসএফ ও ভারতীয় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করলে আদালতের নির্দেশে তারা কারাদণ্ড ভোগ করেন। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে প্রত্যাবর্তনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা শেষে তাদের দেশে ফেরত পাঠায়।

গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওমর ফারুক বলেন, ফিরে আসা ব্যক্তিদের স্বজনরা আগে থেকেই সীমান্তে অপেক্ষা করছিলেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।