কঠোর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের আগেই ইরান ওয়াশিংটনের ‘বহিঃরাষ্ট্রিক সার্বভৌমত্ব’ চর্চাকে তীব্র ভাষায় সমালোচনা করেছে। তেহরানের মতে, এ ধরনের অর্থনৈতিক চাপ অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনুচিত হস্তক্ষেপের নামান্তর এবং আন্তর্জাতিক নিয়মের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।

অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বৃহস্পতিবার সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান যে, প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নের ফলে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের প্রয়োজনীয়তা অনেকাংশে কমে আসবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই ব্যবস্থাগুলোর মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই মন্তব্য প্রকাশিত হয়েছে নতুন নিষেধাজ্ঞা জারির ঠিক আগে। বেসেন্টের কথায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, সামরিক অভিযানের বিকল্প হিসেবে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে বিবেচনা করা হচ্ছে। ফলে, কঠোর অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জনের পথই এখন অগ্রগণ্য বলে মনে হচ্ছে।