গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখছেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপ্রধান। শনিবার প্রকাশিত এক অভিনন্দন বার্তায় রাষ্ট্রপতি মোহামেদ মুইজ্জু বাংলাদেশের নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, তিন দশকেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার ঘটনাটি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের আস্থার একটি স্পষ্ট প্রতিফলন ঘটেছে বলে মনে করেন মুইজ্জু। মালদ্বীপ সরকারের পাশাপাশি সেখানকার জনগণের পক্ষ থেকেও নতুন রাষ্ট্রপতির প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয় বার্তায়। দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক বন্ধনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়েছে সেখানে।
দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হবে — এমন আশা পোষণ করেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে উভয় দেশের অভিন্ন অঙ্গীকারের কথাও তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। এই ভিত্তিতে ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার গভীরতা ও পরিধি বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মেয়াদে বাংলাদেশ স্থায়ী শান্তি, ধারাবাহিক অগ্রগতি এবং সামগ্রিক সমৃদ্ধির পথে তার যাত্রা অব্যাহত রাখবে — এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন মুইজ্জু। নতুন নেতৃত্বের অধীনে দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষিত থাকবে বলেও তিনি আশাবাদী।
অন্যদিকে, এই অভিনন্দনের ধারায় আরও কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের নাম উঠে এসেছে। ভারতের রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকেও শুভেচ্ছা বার্তা পাঠানো হয়েছে। পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি জারদারির অভিনন্দনের পাশাপাশি বাংলাদেশ সফরের একটি আমন্ত্রণও জানানো হয়েছে বলে সূত্রে জানা যায়। এছাড়া নেপালের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন বার্তাও এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে।




