মন্ত্রিসভা জাতীয় যুব দিবসকে আন্তর্জাতিক যুব দিবস থেকে পৃথক করে আবারও ১ নভেম্বর উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, পূর্বে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১ নভেম্বরকে জাতীয় যুব দিবস এবং ১২ আগস্টকে আন্তর্জাতিক যুব দিবস হিসেবে আলাদাভাবে পালন করা হতো। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উভয় দিবস একত্রে ১২ আগস্ট উদযাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

তবে গত বছর এই সম্মিলিত উদযাপনের অভিজ্ঞতা সুখকর ছিল না বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। আগস্ট মাস বর্ষাকাল হওয়ায় প্রবল বৃষ্টির কারণে যুব র্যালি, সমাবেশ এবং যুব মেলার মতো আয়োজন সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হন তরুণ উদ্যোক্তারা, যারা তাদের উৎপাদিত পণ্যের প্রদর্শনী ও বিক্রির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মেলা ছাড়া বছরের অন্য কোনো সময়ে অনুরূপ আয়োজন করলে কাঙ্ক্ষিত জনসম্পৃক্ততা বা বাণিজ্যিক সাফল্য আসে না। পাশাপাশি, জাতীয় দিবসটি সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত হলেও আন্তর্জাতিক যুব দিবস সাধারণত সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের সহযোগিতায় পালিত হয়ে থাকে।

সামগ্রিক বাস্তবতা ও অভিজ্ঞতার আলোকে মন্ত্রিসভা অবশেষে দিবস দুটিকে একত্রে পালনের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে এবং পৃথকভাবে ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস ও ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস পালনের প্রস্তাবটি অনুমোদন করে। এর ফলে পূর্বের ঐতিহ্যে ফিরে গিয়ে জাতীয় যুব দিবস আবারও নভেম্বরের শুরুতে উদযাপিত হবে।