একটি উদীয়মান সাইবার হুমকি বিশ্বব্যাপী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। হ্যাকাররা এখনই সংবেদনশীল তথ্য চুরি করছে, যদিও তারা সেই ডেটা পড়তে পারে না। তাদের পরিকল্পনা হলো ভবিষ্যতে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেই এনক্রিপ্টেড ডেটা ভেঙে ফেলা। এই কৌশলটি 'হার্ভেস্ট নাউ, ডিক্রিপ্ট লেটার' (এখন সংগ্রহ করো, পরে ডিক্রিপ্ট করো) নামে পরিচিতি পাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের অগ্রগতির সাথে সাথে বর্তমান এনক্রিপশন পদ্ধতিগুলো অকার্যকর হয়ে পড়তে পারে। ফলে আজকে চুরি হওয়া ডেটা ভবিষ্যতে বিপুল পরিমাণে উন্মোচিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ব্যাংকিং, স্বাস্থ্য, সরকারি ও বাণিজ্যিক খাতের তথ্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ট্রাম্পের প্রস্তাবিত কিছু নীতি 'কারচুপি'র বাজার সৃষ্টি করতে পারে বলেও ফরচুনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া তেলের দাম আবার ৯০ ডলারের উপরে উঠেছে, এবং ইরান হুমকি দিয়েছে যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে 'এক ফোঁটাও তেল' যেতে দেওয়া হবে না—তবে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। গোল্ডম্যান স্যাকস সঠিকভাবে বিশ্বকাপের ফলাফল ভবিষ্যদ্বাণী করেছে, আর ডয়চে ব্যাংকের 'সস্তা ডেট ইনডেক্স' জেনেভাকে প্রেমের জন্য সবচেয়ে ব্যয়বহুল স্থান হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যাতে তারা কোয়ান্টাম-প্রতিরোধী এনক্রিপশন প্রযুক্তি গ্রহণ করে। ভবিষ্যতে ডেটা সুরক্ষিত রাখতে এখন থেকেই ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি বলে তারা মত দিচ্ছেন। এদিকে, নিউ ইয়র্কের বাজার খোলার আগে প্রতিদিন সকালে এই তথ্য সরাসরি পাওয়ার জন্য নিবন্ধনেরও সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে ফরচুন।

সামগ্রিকভাবে, 'হার্ভেস্ট নাউ, ডিক্রিপ্ট লেটার' কৌশলটি সাইবার অপরাধীদের জন্য একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশ্বব্যাপী সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা এই হুমকি মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দিচ্ছেন।