আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) তাদের বার্ষিক সাধারণ সভায় পুরুষদের ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ফরম্যাটে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন অনুমোদন করেছে। স্কটল্যান্ডের এডিনবরায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও ২০২৮ সালের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন কাঠামো চূড়ান্ত করা হয়। আইসিসির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া। এবারের আসরে অংশ নেবে ১৪টি দল। সেমিফাইনালে ওঠার আগে মোট তিনটি রাউন্ডে খেলা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম রাউন্ডে র্যাঙ্কিংয়ের সর্বনিম্ন তিনটি দল রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে ‘সুপার সিরিজ’ খেলবে, যেখানে শীর্ষে থাকা দলটি পরবর্তী ধাপে উত্তীর্ণ হবে। দ্বিতীয় রাউন্ডে ৩০টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম রাউন্ডের বিজয়ী শীর্ষ ১১ দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ১২টি দল দুটি গ্রুপে বিভক্ত হবে। গ্রুপ পর্বের পর প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ তিনটি ও দুই গ্রুপ মিলিয়ে সেরা অবস্থানে থাকা আরও একটি দল—মোট সাতটি দল ‘সুপার ৭’ পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। তৃতীয় রাউন্ডে সুপার ৭ পর্বে ২১টি ম্যাচ হবে, যেখানে সাতটি দল রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে মুখোমুখি হবে। শীর্ষ চারটি দল সেমিফাইনালে যাবে, যেখানে প্রথম বনাম চতুর্থ ও দ্বিতীয় বনাম তৃতীয় স্থানের দল লড়বে।
অন্যদিকে, ২০২৮ সালের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজিত হবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে। এই আসরেও ২০টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। গ্রুপ পর্বে ৩০টি ম্যাচে ২০ দলকে চারটি করে পাঁচটি গ্রুপে ভাগ করা হবে, প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল ‘সুপার ১০’ পর্বে পৌঁছাবে। সুপার ১০ পর্বে ২০টি ম্যাচ থাকবে, যেখানে দুটি গ্রুপ থাকবে। প্রতিটি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি সেমিফাইনালে জায়গা করে নেবে। বাকি দুটি সেমিফাইনালের টিকিট নির্ধারিত হবে ‘এলিমিনেটর’ রাউন্ডের মাধ্যমে, যেখানে সুপার টেনের গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানের দলগুলো বিপরীত গ্রুপের তৃতীয় স্থানের দলগুলোর মুখোমুখি হবে। সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচ পূর্বের নিয়মেই অনুষ্ঠিত হবে।

