দক্ষিণ কেনিয়ার একটি এলাকায় কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক হাতির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, টমেটো চাষে ব্যবহৃত এক ধরনের কীটনাশকে সায়ানাইড নামক মারাত্মক বিষাক্ত রাসায়নিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এই রাসায়নিকের কারণেই অন্তত ১৫টি হাতির মৃত্যু হয়েছে বলে সন্দেহ করছেন দেশটির কর্মকর্তারা। ঘটনার পেছনে কোনো দুরভিসন্ধি বা নাশকতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি একটি দুর্ঘটনাজনিত ঘটনা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। মৃত হাতিগুলোর দেহে যে বিষাক্ত পদার্থ পাওয়া গেছে, তা টমেটো বাগানে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত একটি কীটনাশকের সাথেই সামঞ্জস্যপূর্ণ। স্থানীয় পরিবেশবিদ ও বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, কীটনাশকের ব্যবহারে আরও বেশি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন, বিশেষ করে বন্যপ্রাণীপ্রধান এলাকাগুলোতে। এই মৃত্যুর ঘটনা এলাকার বাস্তুতন্ত্র ও জীববৈচিত্র্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে বলেও তারা আশঙ্কা করছেন। কেনিয়ার বন্যপ্রাণী কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।
টমেটো কীটনাশকে সায়ানাইডের উপস্থিতি, কেনিয়ায় ১৫ হাতির মৃত্যুর কারণ তদন্তে
দক্ষিণ কেনিয়ায় টমেটো চাষে ব্যবহৃত কীটনাশকে সায়ানাইডের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। ১৫টি হাতির মৃত্যুর ঘটনায় নাশকতার সম্ভাবনা নাকচ করে কর্মকর্তারা এই রাসায়নিকটিকে দায়ী করছেন। এটি কয়েক দশকের মধ্যে ওই অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি হাতি মারা যাওয়ার ঘটনা।




