শরীরের পুষ্টি চাহিদা মেটাতে মাছ, মাংস ও ডিমের মতো প্রাণিজ খাদ্যের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে আসন্ন ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রণীত বিজ্ঞান পাঠের প্রথম অধ্যায়ে। সিনিয়র শিক্ষক মো. ফারুক হোসেনের প্রস্তুতকৃত এই নির্দেশনায় মানবদেহের গঠন ও শক্তি বিপাকের জন্য অপরিহার্য উপাদানগুলোর কার্যকারিতা সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে।
প্রশ্নোত্তর পর্বে মাছ, মাংস ও ডিমকে পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। শিক্ষক ব্যাখ্যা করেছেন যে, এই খাদ্যগুলোতে প্রচুর প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ বিদ্যমান। বিশেষ করে প্রাণিজ প্রোটিনে থাকা অপরিহার্য অ্যামাইনো অ্যাসিডগুলো শরীরের গঠন ও শক্তি উৎপাদনে বিশেষ সহায়তা করে, যার পুষ্টিগুণ অপেক্ষাকৃত বেশি।
মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় ২০টি অ্যামাইনো অ্যাসিডের মধ্যে ৮টিকে অত্যাবশ্যকীয় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর পেছনে কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, দেহ এই ৮টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিজে নিজে তৈরি করতে পারে না বা পর্যাপ্ত পরিমাণে উৎপাদন করতে পারে না; তাই এগুলো খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে।
এছাড়া, ভিটামিন 'সি' সংক্রান্ত একটি প্রশ্নের উত্তরে দাঁতের মাড়ি, ত্বক ও হাড়ের কোষগুলোর মধ্যে মজবুত বন্ধন সৃষ্টিতে এই ভিটামিনের প্রভাব বর্ণিত হয়েছে। ভিটামিন 'সি' ত্বককে উজ্জ্বল রাখা ও ক্ষত দ্রুত নিরাময়েও ভূমিকা রাখে বলে জানানো হয়েছে। অপর একটি প্রশ্নে খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিনের সার্বিক গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে ভিটামিনের অভাবে দেহের ক্ষয়পূরণ, বৃদ্ধি এবং স্নায়ুতন্ত্রের কাজ ব্যাহত হয়।
লৌহ মানবদেহে কতটা জরুরি, সেই প্রসঙ্গটিও এই পাঠ্যাংশের অন্তর্ভুক্ত। হিমোগ্লোবিন তৈরির কাঁচামাল হিসেবে লৌহকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা ফুসফুসীয় অক্সিজেন প্রতিটি দেহকোষে সরবরাহ করে। পাশাপাশি শক্তি উৎপাদন ও পেশির কার্যক্ষমতা ধরে রাখতেও এটি প্রয়োজন।




