কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবস্থাগুলোর একটি গুরুতর সীমাবদ্ধতা হলো ‘কগনিটিভ স্পুফিং’। এর মাধ্যমে এআই মডেল দক্ষতা ও জ্ঞানের ভান করতে পারে, যা স্বাস্থ্যসেবার মতো সংবেদনশীল খাতে বিশাল সমস্যা তৈরি করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই সিস্টেমকে অবশ্যই বাস্তব ক্লিনিক্যাল পরিবেশে কঠোরভাবে যাচাই (প্রেশার টেস্ট) করতে হবে, যাতে সঠিক যুক্তিপ্রয়োগ, সঠিকতা এবং নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করা যায়। স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ভুল তথ্য বা অসম্পূর্ণ বিশ্লেষণ সরাসরি মানুষের জীবনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, তাই এ ধরনের ভ্রান্ত বিশেষজ্ঞতাকে চিহ্নিত করে তা দমন করা এখন সময়ের দাবি।
একটি এআই যখন জটিল মেডিকেল পরামর্শ দেয়, কিন্তু তার অন্তর্নিহিত বিশ্লেষণ ভাসাভাসা বা ত্রুটিপূর্ণ হয়, তখনই ‘কগনিটিভ স্পুফিং’ ঘটে। সিস্টেমটি অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ভুল তথ্য উপস্থাপন করতে পারে, যাতে চিকিৎসক বা রোগী বিভ্রান্ত হন। এই সমস্যাটি মোকাবিলা করতে বিশেষজ্ঞরা বাস্তব কেস স্টাডি ও হাসপাতালের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে এআইকে পরীক্ষা করার পরামর্শ দিচ্ছেন। নিয়মিত নজরদারি, প্রশিক্ষণের ডেটা ক্রমাগত হালনাগাদ, এবং মানব বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সহযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণই এই ঝুঁকি মোকাবিলার মূল হাতিয়ার বলে মনে করছেন প্রযুক্তি ও চিকিৎসা বিশ্লেষকরা।




