বহু বছর ধরে কোকা-কোলার গ্রাহক হিসেবে থাকা ম্যাকডোনাল্ডস ও ওয়েন্ডিসের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো সম্প্রতি নিজেদের পানীয়ের তালিকা সম্প্রসারণে মনোযোগ দিয়েছে — যার মূল লক্ষ্য মুনাফার পরিমাণ বাড়ানো। এই প্রবণতার মধ্যেই পানীয় শিল্পের জায়ান্ট কোকা-কোলা তাদের অত্যন্ত গোপনীয় উদ্ভাবনী গবেষণাগারগুলোতে নতুন ধরনের পানীয় তৈরির প্রক্রিয়াকে স্বয়ংক্রিয় করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গেছে।

কোম্পানিটির অভ্যন্তরীণ তথ্য অনুযায়ী, এসব ল্যাবে মূলত তথাকথিত ‘ডার্টি সোডা’ এবং বিভিন্ন রিফ্রেশার ড্রিংকস প্রস্তুতের পদ্ধতিকে যান্ত্রিক ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনার চেষ্টা চলছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় ক্রেতারা নিজের পছন্দমতো ফ্লেভার, সিরাপ ও ক্রিম যুক্ত করে কাস্টমাইজড পানীয় তৈরি করলেও — কোকা-কোলা চায় এই পুরো প্রক্রিয়াটি আরও দ্রুত, নির্ভুল এবং সহজভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রযুক্তিগত সমাধান।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পানীয় খাতের এই পরিবর্তন শুধু স্বাদের বদল নয়, বরং ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত পানীয় পরিবেশনের নতুন দিগন্ত খুলতে পারে। কোকা-কোলার এই উদ্যোগের ফলে ফাস্ট-ফুড চেইনগুলোতে পানীয় বিক্রির ধরন আমূল বদলে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কোম্পানিটি এখন পর্যন্ত তাদের গবেষণাগারের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।