আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে গত ২৫ জুন প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে ১৭৮তম অনলাইন পরামর্শ সत्र অনুষ্ঠিত হয়। সেশনে প্রধান বক্তা ছিলেন শিশু-কিশোর ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. হেলাল আহমেদ। আলোচনার মূল বিষয় ছিল বিশ্ব মাদক সমস্যা, চলমান সংকট, নতুন চ্যালেঞ্জ এবং উদ্ভাবনী ফলাফল।

প্রশ্নোত্তর phiênে একজন অংশগ্রহকারী জানতে চেয়েছিলেন, কি মাদকাসক্তি এবং ডিভাইস আসক্তি মস্তিষ্কের একই অঞ্চলে কাজ করে? সংশয় নিবারণে ড. আহমেদ স্পষ্ট করেন, বৈজ্ঞানিক গবেষণা অনুযায়ী দুটি আসক্তিই ব্রেনের ‘রিওয়ার্ড সার্কিট’ বা সহজ বাংলায় ‘ভালোবাসা সার্কিট’-কে উদ্দীপিত করে। ফলে আসক্তি দুটির ক্ষেত্রেই মানুষের বাহ্যিক আচরণ, মেজাজের খিটখিটapan, মানসিক ব্যথা প্রায় একইভাবে প্রকাশ পায়।

তবে পার্থক্য আছে প্রক্রিয়ায়। মাদকের ক্ষেত্রে আসক্তি তৈরি হয় রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতির মাধ্যমে, অন্যদিকে ডিভাইস বা আচরণগত আসক্তি নন-কেমিক্যাল পথে বিকশিত হয়। এই মৌলিক পার্থক্য বাদে রোগীর মানসিক অবস্থা, পরিবেশের প্রতি প্রতিক্রিয়া এবং চিকিৎসার দৃষ্টিকোণ থেকে দুটি প্রায় সমান।

বিশেষজ্ঞ সুপারিশ করেন, সন্তান যদি যেকোনো একটি আসক্তির শিকার হয়, তাহলে পরিবার ও সমাজ তাদের প্রতি সমান সহানুভূতি, ধৈর্য ও সচেতনতা প্রদর্শন করুক। কারণ রোগের উৎস ভিন্ন হলেও মস্তিষ্কের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এবং মানসিক তনাব প্রায় একই।