অভিনয়শিল্পী নাজিফা তুষির কাছে বান্দরবানের লামা একটি বিশেষ জায়গা, যেখানে ফিরে যেতে তিনি সবসময়ই আগ্রহী। প্রথম আলোর ‘ছুটির দিনে’র ‘ফিরে ফিরে যাই’ বিভাগে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তার প্রিয় ভ্রমণস্থানগুলোর মধ্যে লামা সবচেয়ে স্মরণীয়। তার জন্ম চট্টগ্রামে হলেও লামার সঙ্গে জড়িয়ে আছে ছোটবেলার এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

নাজিফা জানান, ক্লাস সেভেন বা এইটে পড়াকালীন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের ‘মনো সাধনা’ নামে একটি চার দিনের মেডিটেশন কোর্সে অংশ নিতে প্রথম লামায় যান তিনি। সেখানে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত চলা এই কোর্সে সময়মতো খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা থাকলেও কারও সঙ্গে কথা বলার অনুমতি ছিল না। পুরো সময়টি মনের যত্ন নেওয়ার জন্য নির্ধারিত ছিল। সেই অভিজ্ঞতা তাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

লামায় তার স্মরণীয় মুহূর্তগুলোর মধ্যে উল্লেখ করেন পাহাড়ের এক প্রান্তে অবস্থিত ঘরটি, যেখানে প্রকৃতির মাঝে বসে সময় কাটানোর অনুভূতি ছিল অসাধারণ। কাছেই একটি ঝরনা ছিল, যার জলপতনের শব্দ তিনি স্পিরিচুয়াল বা আধ্যাত্মিক বলে মনে করেন। এই কারণেই লামার প্রতি তার এত টান।

নাজিফা এখন পর্যন্ত লামায় দুবার গিয়েছেন। দ্বিতীয়বার যান কলেজে পড়ার সময়। তবে সে সময়ও লামায় যাওয়ার পথ সহজ ছিল না এবং অনেক সময় অনুমতি মিলত না। বর্তমানে লামায় আরও লোকালয় তৈরি হয়েছে এবং মিরিঞ্জা ভ্যালিতে নতুন রিসোর্ট গড়ে উঠেছে বলে জানান তিনি। ফলে এখন যেকোনো সময়ই সেখানে যাওয়া সম্ভব।

পাহাড়ি প্রকৃতি ও ঝরনার টানে তিনি দ্রুতই আবার লামায় যেতে চান। তার ভাষ্যে, এখনও লামার প্রতি ভালোবাসা অটুট রয়েছে এবং কেউ লামায় গেলে তিনি সেই জায়গা নিয়ে আগ্রহের সঙ্গে জানতে চান।