সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে এক তরুণীকে অপহরণ করে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত আটজনের মধ্যে চারজনের সাজা নির্ধারণ করেছেন আদালত। একজনকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেওয়ার পাশাপাশি অপর তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি চার আসামিকে সব অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে এজলাসে প্রবেশ করে এই মামলার রায় পড়া শুরু করেন এবং বেলা ১টা ৫৩ মিনিটে তা ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর আদালত চত্বরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া প্রহরা দেখা যায়। দণ্ডিত ও খালাসপ্রাপ্ত সকল অভিযুক্তই নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে কলেজ অভ্যন্তরে তরুণীটিকে আটকে রেখে নির্যাতন চালানো হয়। ঘটনা প্রকাশিত হলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আদালত দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনার পর আটজনের মধ্যে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেন। বাকি চারের বিরুদ্ধে অপরাধ দায়ের প্রমাণিত হওয়ায় তাদের শাস্তি নির্ধারণ করেন। রায়ের সম্পূর্ণ কপি এখনো প্রকাশিত হয়নি।
এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ মামলায় একজনের ফাঁসি, তিনজনের যাবজ্জীবন
সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় এক আসামির মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বাকি চারজন খালাস পেয়েছেন, যারা সবাই নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী।



