যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন ব্যবহারের কৌশলে রাশিয়া এখন একটি বড় ধরনের পরিবর্তনের দিকে এগোচ্ছে। পূর্বে যেখানে বিপুল সংখ্যক সস্তা ড্রোন একযোগে পাঠিয়ে প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ক্লান্ত করে তোলা হতো, সেখানে এখন তুলনামূলকভাবে অল্প সংখ্যক কিন্তু অত্যাধুনিক ও জেটচালিত মডেলকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। উচ্চগতির এসব ড্রোন শুধু দ্রুত লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতেই সক্ষম নয়, বরং হামলার তীব্রতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে এই পদ্ধতি কার্যকর প্রমাণিত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবুও এই সাফল্য কতদিন ধরে রাখা যাবে, তা নিয়ে গভীর সংশয় থেকে যাচ্ছে। কারণ উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর মডেলের উপর নির্ভরশীলতা দীর্ঘমেয়াদে টিকবে কিনা, সেটি এখনো অনিশ্চিত। সামরিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, কৌশলের এই রূপান্তর যদি উৎপাদন ও সরবরাহের চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠতে না পারে, তাহলে সময়ের সঙ্গে এর প্রভাব ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে। তাই রাশিয়ার নতুন বাজি স্বল্পকালীন সুবিধা দিলেও এর স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিত।
রাশিয়ার জেটচালিত ড্রোনের বাজি: কৌশলগত পরিবর্তন কতদিন টিকবে?
রাশিয়া কম খরচের ড্রোনের বিশাল বহরের বদলে কম সংখ্যক উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মডেল ব্যবহার করে কৌশলগত হামলার নতুন পথ নিচ্ছে। এই পরিবর্তন বর্তমানে কার্যকর মনে হলেও এর স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।




