বর্তমান বাজারে যেখানে জুনিপারের ব্যবহার কমিয়ে দেওয়া 'নিউ ওয়ার্ল্ড জিনের' চাহিদা বাড়ছে, ঠিক সেই সময় সম্পূর্ণ ভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনায় এসেছে উত্তর আয়ারল্যান্ডের একটি প্রতিষ্ঠান। বোটইয়ার্ড ডিস্টিলারি জিনের সেই ধ্রুপদী ও পরিচিত স্বাদের দিকেই মনোনিবেশ করেছে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে জুনিপার। বাজার বিশ্লেষকেরা এই পদক্ষেপকে সাহসী বললেও, প্রতিষ্ঠানটির মতে, এই সিদ্ধান্তই তাদের সাফল্যের পেছনের মূল কারণ।
এই ডিস্টিলারি আয়ারল্যান্ডের প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে বি কর্পোরেশন (বি কর্প) সনদ অর্জনের কৃতিত্ব দেখিয়েছে। পরিবেশগত ও সামাজিক মানদণ্ডে উচ্চতর প্রত্যয়ন পাওয়ার মাধ্যমে তারা ইতিমধ্যেই নিজেদের স্বাতন্ত্র্য প্রতিষ্ঠা করেছে। নতুন কৌশলের অংশ হিসেবে তারা তাদের উৎপাদন পদ্ধতি এবং পণ্যের গুণগত মাধুরী আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়েছে।
একাধিক সূত্রের বরাতে জানা যায়, সমসাময়িক জিন নির্মাতারা যখন প্রথাগত স্বাদ থেকে বেরিয়ে এসে বিভিন্ন ফল ও মশলার মিশ্রণে নতুনত্ব আনার চেষ্টা করছেন, বোটইয়ার্ড ডিস্টিলারি ঠিক তার উল্টো পথ বেছে নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তারা ক্লাসিক জিনের যে ভক্ত, সেই প্রজন্ম ও ভোক্তাদের আস্থা পুনরুদ্ধার ও ধরে রাখতে সক্ষম হচ্ছে। তাদের প্রসারণ বাড়ানোর পাশাপাশি একইসঙ্গে স্থানীয় উপাদান সংগ্রহ ও নৈতিক ব্যবসায়িক চর্চার দিকে আরও জোর দেওয়া হচ্ছে।
বাজারে এই ধরনের পদক্ষেপ সাধারণত ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচিত হলেও, ক্রেতাদের মধ্যে তা ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। জিনের মূল উপাদান জুনিপার বেরির ব্যবহার কমিয়ে না দিয়ে বরং তাকে প্রাধান্য দেওয়াটা কোম্পানির ব্র্যান্ড পরিচয়কে আরও জোরালো করেছে। ফলে প্রতিষ্ঠানটি নতুন এক গুচ্ছ ক্রেতা আকর্ষণের পাশাপাশি তার অনুগত পুরোনো ক্রেতাদের আস্থাও ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।




