দলের চেয়ারম্যান ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এবং মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বৃহস্পতিবার একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেন। সেখানে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার ধারাবাহিকতায় তাঁর এই নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হবে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতায় মির্জা ফখরুল দেশের গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার এবং রাজনৈতিক সহনশীলতার প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে নেতারা উল্লেখ করেন। জাতীয় পার্টির নেতারা মনে করেন, সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি দেশের সব রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন মতাদর্শ ও শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক আস্থা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন। এটি বর্তমান সময়ে দেশবাসীর প্রধান প্রত্যাশা বলে বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। তাঁরা আরও আশা প্রকাশ করেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি সংবিধানের মর্যাদা সমুন্নত রাখবেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করবেন এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন। বর্তমান সময়ে দেশের মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, শান্তি, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির যে প্রত্যাশা গভীরভাবে তৈরি হয়েছে, সে বিষয়ে বিবৃতিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। নেতারা বিশ্বাস করেন, মির্জা ফখরুল সেই প্রত্যাশা পূরণে রাষ্ট্রের সর্বস্তরে সমন্বয় ও ঐক্যের পরিবেশ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখবেন। বিবৃতির শেষাংশে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়, তাঁর দায়িত্বকালে বাংলাদেশ শান্তি, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে আরও অগ্রসর হবে। একই সঙ্গে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কর্মজীবনে সফলতা কামনা করে বিবৃতির ইতি টানা হয়।
মির্জা ফখরুলকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
জাতীয় পার্টির (একাংশ) চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা সংবিধানের মর্যাদা রক্ষা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ ও জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।




