২০২৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বিশ্বপরিচয় বিষয়ের প্রথম অধ্যায় থেকে শূন্যস্থান পূরণের ২০টি প্রশ্ন ও উত্তর সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। প্রশ্নগুলোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জলবায়ু ও আবহাওয়া, জীবাশ্ম জ্বালানি, পরিবেশ দূষণ ও প্রতিকার, এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে পারবে।

প্রশ্নোত্তরগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে—দীর্ঘ সময়ের আবহাওয়ার গড় অবস্থাকে ‘জলবায়ু’ বলা হয়, আর স্বল্প সময়ের বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থাকে ‘আবহাওয়া’ বলে। সাধারণত ৩০ থেকে ৩৫ বছরের আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করে জলবায়ু নির্ধারণ করা হয়। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, যা জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম কারণ। কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসকে একত্রে জীবাশ্ম জ্বালানি বলা হয়।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে প্রশ্নে বলা হয়েছে—এর ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে, যা ঘূর্ণিঝড় ও খরার মতো দুর্যোগ বাড়িয়ে দিচ্ছে। বন উজাড়ের কারণেও বায়ুতে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বাড়ে, তবে গাছপালা এই গ্যাস শোষণ করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ, বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও প্লাস্টিকের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রশ্নোত্তর সেটে আরও বলা হয়েছে—সৌরশক্তি একটি নবায়নযোগ্য শক্তি, বনভূমি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে, এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে, আর বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি বাড়ছে। পুনর্ব্যবহারযোগ্য জিনিস ব্যবহার করলে দূষণ কমে এবং পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব সবার। এই প্রশ্নোত্তরগুলো প্রস্তুত করেছেন বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, ঢাকার শিক্ষক রাবেয়া সুলতানা।