রাজধানীর ধানমন্ডির ম্যারিয়ট কনভেনশন হলে ‘ফাউন্ডারস নাইট ২০২৬’ শীর্ষক এক আয়োজনের মাধ্যমে সুখের খামার অ্যাগ্রো ভিলেজের এক হাজার প্রতিষ্ঠাতা মালিক তাদের জমির দলিল হাতে পেয়েছেন। গত শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সুখের খামার অ্যাগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে এসব দলিল বুঝিয়ে দেন। অনুষ্ঠানে সংস্থাটির চারজন উপদেষ্টা ও চল্লিশ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটির সদস্যগণও উপস্থিত ছিলেন।

বগুড়ার কাহালু উপজেলায় অবস্থিত এই অ্যাগ্রো ভিলেজটি ত্রিশ বিঘা জমির ওপর গড়ে তোলা হয়েছে। এটি দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক কৃষি পর্যটন উদ্যোগ হিসেবে পরিচিত। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক মন্তব্য করেন, সৃজনশীল কাজের সুযোগ ও নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে বর্তমান সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন, চাকরির পাশাপাশি খেলাধুলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিকল্প কর্মসংস্থানের পথ খোলা হচ্ছে। সুখের খামারের মতো উদ্যোগের প্রতি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ সমর্থন থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। সরকারের মূল উদ্দেশ্য দেশের প্রতিটি পরিবারের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা বলেও প্রতিমন্ত্রী অভিমত ব্যক্ত করেন।

প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব এদিন বলেন, যারা অর্থ লগ্নি করেছেন তারা নিছক বিনিয়োগকারী নন, বরং তাঁরাই এই প্রকল্পের প্রকৃত মালিক, প্রতিষ্ঠাতা ও দাতা। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, তাদের বিশ্বাসের মূল্য রক্ষা করাই তাঁদের সবার আগে দায়িত্ব। প্রতিষ্ঠানের এমডি জোবাইরর ইসলাম প্রকল্পটির প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরে জানান, তাঁদের প্রচেষ্টা শুধুমাত্র একটি খামার বা রিসোর্ট নির্মাণ নয়; এটি এমন এক আদর্শ রূপ দিচ্ছে যা ব্যবসার পাশাপাশি একটি গ্রামের সার্বিক চিত্র পাল্টে দিতে সক্ষম।

‘ফাউন্ডারস নাইট ২০২৬’-এ অন্যান্য উপকরণের মধ্যে শেয়ার সনদ, চুক্তিপত্র এবং সুখের খামার ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্যপদ সনদও বিতরণ করা হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে আরও জানা যায়, পূর্ণাঙ্গ রিসোর্ট চালু না হওয়া সত্ত্বেও বিগত দেড় বছরে এই প্রকল্প পরিদর্শনে আসেন দুই সহস্রাধিক দর্শনার্থী, যাদের মধ্যে রাতযাপন করেছেন নয় শর অধিক অতিথি।