আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গৃহীত উদ্যোগে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। এই অগ্রগতিকে স্বাগত জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) যৌথভাবে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। ওয়াশিংটনে আয়োজিত শান্তি সম্মেলনের এক বছর পূর্তিতে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি সাধিত হয়েছে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল। এর ফলে দীর্ঘদিনের উত্তপ্ত ও অস্থিতিশীল দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। উভয় পক্ষের মধ্যে চলমান আলোচনা এবং দ্বন্দ্ব নিরসনের প্রচেষ্টা এই অগ্রগতির পথকে সুগম করেছে। আঞ্চলিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির মাধ্যমে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে বলেও সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকদের মন্তব্য। যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, এই অগ্রগতি শুধু দুই দেশের জন্যই নয়, সমগ্র অঞ্চলের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও নিরাপত্তার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এক্ষেত্রে উভয় দেশের সরকারের গঠনমূলক অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সমর্থন এই প্রক্রিয়াকে আরও বেগবান করবে। তবে এখনও চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পথে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে জানা গেছে। তবুও সামগ্রিক পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক উন্নত এবং আশাপ্রদ বলে মূল্যায়ন করছেন কূটনীতিকরা। দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সংলাপ অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতে আরও ইতিবাচক ফলাফল আসবে বলেও প্রত্যাশা প্রকাশ করা হয়েছে।