গ্রিসে দাবানলের তাণ্ডব দ্বিতীয় সপ্তাহে পা দিয়েছে। ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতির বাতাস এই আগুনকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীরা ক্রমাগত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। চরম বাতাসের কারণে দাবানলের বিস্তার রোধ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। দক্ষিণ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রা বাড়ছে। গ্রিসের পাশাপাশি অন্যান্য দেশেও একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা দিচ্ছে। আগুন নেভানোর কাজে নিযুক্ত দমকল বাহিনী বর্তমানে সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে রয়েছে। দাবানলটি কত এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে তা নিয়ে এখনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। গ্রিসের কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত এই সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দক্ষিণ ইউরোপের অন্যান্য দেশেও দাবানলের ঝুঁকি বেড়েছে। বাতাসের গতি কমলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এই মুহূর্তে পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটাপূর্ণ।
প্রবল বাতাসে গ্রিসের দাবানল আরও বিস্তৃত, দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ
গ্রিসে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার বেগে বাতাসের কারণে দাবানল আরও ছড়িয়ে পড়েছে। আগুন নেভাতে দমকল বাহিনী নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। দক্ষিণ ইউরোপের অন্যান্য দেশেও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব তীব্র হচ্ছে।



