আদালতের নির্দেশে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর গুলশানের দুই ফ্ল্যাটে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (১৯ জুলাই) এ অভিযান চালানো হয়। এই দুই ফ্ল্যাট পূর্বে সিল করা ছিল, কিন্তু গত २९ एপ্রিল তালা খুলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রবেশের অনুমতি দেয় আদালত। আজ সেই অনুযায়ী ফ্ল্যাট দুটি খোলা হয় এবং বিস্তারিত তালিকা প্রস্তুত করা হয়।
দুদের কর্মকর্তারা জানান, ফ্ল্যাট দুটি থেকে মোট পাঁচটি বিলাসবহুল গাড়ির চাবি উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি বিএमडब्ल्यू গাড়ির চাবিও রয়েছে। এছাড়া রোলেক্সসহ আটটি দামি ঘড়ির খালি প্যাকেট এবং তাদের ওয়ারেন্টি কার্ড পাওয়া গেছে। চারটি প্যাকেট রোলেক্স ব্র্যান্ডের। বিশেষ করে একটি রোলেক্স সেলিনি ডেট মডেলের (নং 50519) ঘড়ির ওয়ারেন্টি কার্ডে দেখা যায়, এটি 2019 সালের 24 জানুয়ারি লন্ডনের বিখ্যাত ডিপার্টমেন্টাল স্টোর হ್ಯारोड्स से क्रय की गई थी। কার্ডে মালিক হিসেবে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর নাম, মডেল নম্বর ও সিরিয়াল নম্বর (73452459) উল্লেখ রয়েছে। বর্তমান বাজারে এই মডেলের ব্যবহৃত ঘড়ির দাম প্রায় 16,500 মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় 20 লাখ টাকার বেশি।
সেইসঙ্গে ওই ফ্ল্যাটগুলি থেকে 300-এর বেশি কোট, 532টির বেশি টাই, 100-এর বেশি কামিজ, এবং তিন সেট মুক্তার গয়না পাওয়া গেছে। এছাড়া চারটি ঝাড়বাতি, খাট ও সোফাসহ দামি সব আসবাবও জব্দ করা হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক ও তল্লাশি দলের প্রধান মো. মশিউর রহমান বলেন, এই সব জিনিসপত্রের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে এবং সোমবার (20 জুলাই) সকাল থেকে আবার কাজ শুরু হবে। সম্পূর্ণ তালিকা প্রস্তুত হওয়ার পর তা আদালতে জমা দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, সাইফুজ্জামান চৌধুরী আওয়ামী লীগ সরকারের ভূমিমন্ত্রী ছিলেন। সরকার পতনের পর তিনি দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। তার পরিবারের মালিকানায় বাংলাদেশের ইউসিবি ব্যাংক ছিল এবং তিনি যুক্তরাজ্যে আবাসন ব্যবসায়ও সক্রিয় ছিলেন। 2024 সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর যুক্তরাজ্যে তার সম্পদের অনুসন্ধান চালানো হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানে তার 300টির বেশি সম্পত্তি (বাড়ি, ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট) পাওয়া যায়, যার মূল্য প্রায় 17 কোটি পাউন্ড।
ঢাকার গুলশানের 66 নম্বর সড়কের নর্থওয়েস্ট (বি) ব্লকের 11 নম্বর প্লটে অবস্থিত এই দুই ফ্ল্যাটের মধ্যে এ-7 নম্বরের আয়তন 3,747 বর্গফুট এবং বি-7 নম্বরের আয়তন 3,832 বর্গফুট। গত বছর 18 নভেম্বর ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত এই ফ্ল্যাট দুটি ক্রোকের আদেশ দিয়েছিল। আদালতের নির্দেশে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফ্ল্যাট দুটি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি কারণ সেগুলি তালাবন্ধ ছিল। পরে 29 एप्रिल के आदेश के बाद ही यह संभव हुआ। अब ये सारी जानकारी अदालत में पेश की जाएगी।




