যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির রিফ্লেক্টিং পুলে ভাঙচুরের অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। পাশাপাশি, তারা স্বীকার করেছে যে স্মৃতিস্তম্ভটির মমাতি ছিল 'বিশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত' (botched)। শনিবার (১ আগস্ট, ২০২৬) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে এই ঘটনার জন্য তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একদল 'বিকৃত মানসিকতার' ভাংচুরকারীকে দায়ী করেছিলেন। তারই অনুযায়ী তদন্ত এগোতে থাকে এবং ঘটনাটির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে এক সাবেক অলিম্পিয়ানকে অভিযুক্ত করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কৌঁসুলিরা ভিন্ন সত্য উন্মোচন করেন।

তদন্তে দেখা যায়, প্রকৃতপক্ষে কোনো দুর্বৃত্ত এই ক্ষতি করেনি। বরং, যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পুলটির মমারতের কাজে নিযুক্ত ছিল, তাদের গুরুতর ত্রটির ফলেই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন নিশ্চিত করা হয়েছে যে ওই ঠিকাদারদের কাজেই পুরো অব্যবস্থাটি ঘটে।

ঘটনার সূত্রপাতের পর থেকে এটি যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সরাসরি অভিযোগে বিষয়টি রাজনৈতিক ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার লাভ করে। কিন্তু আদালতে অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হওয়ায় কর্তৃপক্ষ এতদিন পর অভিযুক্ত ব্যক্তির সব দায়মুক্তি নিশ্চিত করতে বাধ্য হলো।

এটি মূলত প্রশাসনিক একটি তদন্তের চিত্র তুলে ধরে যেখানে দ্রুত দোষী চিহ্নিত করা হলেও, দীর্ঘমেয়াদে মূল সত্যটি প্রমাণিত হয় ভিন্ন। সংশ্লিষ্টরা এখন এই স্বীকৃত দেয় যে, একটি সংস্কার প্রকল্পের অসঙ্গতাকেই ভুলভাবে ভাঙচুর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।