জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে ফলকার টুর্কের পুনর্নিয়োগের পক্ষে ১৪৪টি দেশ ভোট দেয়, বিপক্ষে ছিল মাত্র ১০টি দেশ। ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে পদটি সৃষ্টির পর প্রথমবারের মতো কোনো ব্যক্তি টানা দুই মেয়াদে মানবাধিকার হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলেন। টুর্ক ২০২২ সাল থেকে এই দায়িত্বে রয়েছেন।
অস্ট্রিয়ার নাগরিক ও আইনজীবী টুর্ক ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘে যোগদান করেন এবং শরণার্থী বিষয়ক সংস্থায় কাজ শুরু করেন। তিনি মালয়েশিয়া, কসোভো, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোসহ বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও নিরপেক্ষ অবস্থানের কারণে আন্তর্জাতিক মহলে তিনি সমাদৃত।
তার বর্তমান মেয়াদে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ও ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন টুর্ক। এছাড়াও আফগানিস্তান, সুদান, বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও নিকারাগুয়ার মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়েও তিনি সোচ্চার ছিলেন। তার পুনর্নির্বাচন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আন্দোলনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।




