বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় সংযোজন করল ফিফা। এবারের আসর থেকে চ্যাম্পিয়ন দলকে দেওয়া হবে বিশেষ ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’—যা ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে এটাই প্রথম। এর আগে এনবিএ, এনএফএল বা এমএলবির মতো উত্তর আমেরিকার জনপ্রিয় লিগগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে চ্যাম্পিয়নশিপ রিংয়ের রীতি প্রচলিত। ফিফার ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত এই আসরের মাধ্যমেই ফুটবলে প্রবেশ করছে এই ঐতিহ্য।

মোট ২ হাজার ২৬টি রিং তৈরি করা হবে। তার মধ্যে মাত্র ৩০টি চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। বাকি ১৯৯৬টি রিং অফিশিয়াল লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্য হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমর্থকদের কাছে বিক্রি করা হবে। প্রতিটি রিংয়ের এক পাশে বিশ্বকাপ ট্রফির নকশা থাকবে, আর অন্য পাশে চ্যাম্পিয়ন দলের পরিচয়, রং ও প্রতীক খোদাই করা থাকবে।

বিজয়ী দলের সদস্যদের জন্য তৈরি রিংগুলো হবে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগতকৃত। প্রতিটি রিংয়েই আলাদা সিরিয়াল নম্বর থাকবে, এবং মালিকের আঙুলের মাপ অনুযায়ী সেটি তৈরি করা হবে। সঙ্গে থাকবে সত্যায়নপত্র বা সার্টিফিকেট অব অথেনটিসিটি। ফাইনাল শেষে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে বিজয়ী দলের অধিনায়ক ও প্রধান কোচকে অস্থায়ী স্মারক রিং দেওয়া হবে। পরে খেলোয়াড় ও স্টাফদের সঠিক মাপ নিয়ে ৩০টি রিং তৈরি করে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

এই সংস্করণের ফাইনালে আর্জেন্টিনা চতুর্থ শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামছে, অন্যদিকে স্পেন দ্বিতীয় শিরোপার জন্য লড়ছে। যে দলই জয়ী হোক না কেন, ট্রফি ও স্বর্ণপদকের পাশাপাশি তারাই হবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম দল, যারা ফিফার এই নতুন ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’ হাতে পাবে।