মার্কিন লটারি মেগা মিলিয়নসের জ্যাকপটের পরিমাণ বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৬৭২ মিলিয়ন ডলারে। চলতি বছরের মধ্যে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় পুরস্কারের অঙ্ক। মঙ্গলবার রাতে টানা লটারির ড্রতে কোনো টিকিটই ছয়টি নম্বর পুরোপুরি মেলাতে না পারায় জ্যাকপটের এই বৃদ্ধি ঘটে। ওই রাতে ড্র করা ছয়টি নম্বর ছিল ২, ৪, ১০, ৪৮, ৫৬ এবং গোল্ড মেগা বল ২২।
আগামী ড্রতে যদি কোনো বিজয়ী বের হয়, তবে তার সামনে দুটি বিকল্প থাকবে। প্রথমটি হলো ৬৭২ মিলিয়ন ডলার পুরো ৩০টি বার্ষিক কিস্তিতে নেওয়া। দ্বিতীয়টি হলো এককালীন ২৯৩.৩ মিলিয়ন ডলার নগদ গ্রহণ করা—যা বেশিরভাগ বিজয়ীই পছন্দ করেন। নগদ অর্থ বেছে নিলে প্রথমেই ২৪ শতাংশ ফেডারেল কর কেটে নেওয়া হবে, ফলে পুরস্কার কমে দাঁড়াবে প্রায় ২২২.৯ মিলিয়ন ডলারে।
এরপর বিজয়ীর মোট করযোগ্য আয়ের ওপর ভিত্তি করে ফেডারেল মার্জিনাল করের হার সর্বোচ্চ ৩৭ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। এই হিসাবে তার প্রাপ্ত অর্থ আরও কমে প্রায় ১৮৪.৮ মিলিয়ন ডলারে নেমে আসবে। যদি কিস্তির পথ বেছে নেওয়া হয়, তাহলে বার্ষিক প্রায় ২২.৪ মিলিয়ন ডলারের পেমেন্ট ৩৭ শতাংশ ফেডারেল কর প্রয়োগের পর দাঁড়াবে ১৪.১ মিলিয়ন ডলার।
বিজয়ীকে তার বসবাসের রাজ্যের ওপর নির্ভর করে অতিরিক্ত করও দিতে হতে পারে। যেমন নিউ ইয়র্ক রাজ্য লটারি জয়ে ১০.৯ শতাংশ কর আরোপ করে। অন্যদিকে টেক্সাস, ফ্লোরিডা ও ক্যালিফোর্নিয়ার মতো রাজ্যে লটারি জয়ের ওপর কোনো রাজ্য কর নেই।
মেগা মিলিয়নসের পরবর্তী ড্র অনুষ্ঠিত হবে শুক্রবার রাতে। অপর লটারি পাওয়ারবলের জ্যাকপট বেড়ে হয়েছে ৪৯৮ মিলিয়ন ডলার। এর পরবর্তী ড্র বুধবার রাতে।
মেগা মিলিয়নস জিততে একজন টিকিট ক্রেতাকে ২৯ কোটি ৪ লাখের মধ্যে ১টি সম্ভাবনার বিরুদ্ধে লড়তে হবে। এই অসম্ভব প্রতিকূলতা পাওয়ারবলের চেয়ে সামান্য ভালো, যেখানে সম্ভাবনা ২৯ কোটি ২২ লাখের মধ্যে ১টি।
চলতি বছরে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় লটারি পুরস্কার দাবি করা হয়েছিল মার্চ মাসে। ইলিনয়ের এক ক্রেতা মেগা মিলিয়নসে ৫৩৩ মিলিয়ন ডলার জিতেছিলেন। এরপর আর কোনো পুরস্কার ৫০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়ায়নি। এখন পর্যন্ত পাওয়ারবলের সবচেয়ে বড় জয় ছিল আরকানসাসের এক ক্রেতার ২৫০.৮ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার।


