লিথুয়ানিয়া সরকার সম্প্রতি একটি নতুন নিয়ম জারি করেছে, যার অধীনে গ্রিড অপারেটররা ১০০ কিলোওয়াটের বেশি ক্ষমতার সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে পারবেন যদি সেগুলো নির্ধারিত সাইবার নিরাপত্তা নিয়ম মেনে না চলে। এই সিদ্ধান্ত ইউরোপের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের একটি বড় কাঠামোগত সমস্যার দিকে ইঙ্গিত করছে। প্রশ্ন হলো, স্থাপনার পর কে ইনভার্টার এবং মনিটরিং সিস্টেমের ওপর রিমোট অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করবে? সেই সঙ্গে এর ফলে কী কী পুনর্নির্মাণ এবং প্রশাসনিক ব্যয় মেটাতে হবে? লিথুয়ানিয়ার এই পদক্ষেপ ইউরোপের সবুজ শক্তি রূপান্তরের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, যা অন্যান্য দেশের জন্যও উদাহরণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি খরচ ও কার্যকারিতার মধ্যে ভারসাম্য রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হবে। এই নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর গ্রিড অপারেটরদের হাতে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হয়েছে, যা পূর্বে শুধু সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনাকারী প্রতিষ্ঠানের কাছেই ছিল। তবে এখন থেকে অপারেটররা যদি কোনো সিস্টেমে সাইবার হুমকি শনাক্ত করে, তাহলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেই সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রকে গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবেন। এই পরিবর্তন ইউরোপজুড়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণের সময় সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় একটি নজির স্থাপন করছে।