২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জীববিজ্ঞান ১ম পত্রের অধ্যায় ৭-এর ওপর একটি বহুনির্বাচনি প্রশ্নের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এই অধ্যায়ে নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভিদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও শ্রেণিবিন্যাস নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। প্রশ্নগুলো সরকারি রূপনগর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক মোহাম্মদ আক্তার উজ জামান প্রণয়ন করেছেন।

প্রশ্নমালায় নগ্নবীজী উদ্ভিদের উপস্থিতি ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। যেমন, প্রথম প্রশ্নে নগ্নবীজী উদ্ভিদে কোন উপাদানটি বিদ্যমান তা জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, যার সঠিক উত্তর ডিম্বক। দ্বিতীয় প্রশ্নে বর্তমানে কতটি গণের নগ্নবীজী উদ্ভিদ পাওয়া যায় তা নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে; উত্তর হলো ৬৩টি। বাংলাদেশে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো নগ্নবীজী উদ্ভিদের সংখ্যা ৫টি, যা তৃতীয় প্রশ্নে নির্দেশিত।

সাইকাস গণের উদ্ভিদের পাতার ধরন সম্পর্কে চতুর্থ প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে—এটি পক্ষল যৌগিক পাতা। পঞ্চম প্রশ্নে নিষেকের আগে শস্য উৎপন্ন হওয়ার বিষয়টি জিমনোস্পার্মে ঘটে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ষষ্ঠ প্রশ্নে পাম ফার্ন হিসেবে পরিচিত উদ্ভিদটি সাইকাস (Cycas) বলে চিহ্নিত। সপ্তম প্রশ্নে সাইকাসের বৈশিষ্ট্য হিসেবে পক্ষল যৌগিক পত্রকে নির্দেশ করা হয়েছে।

অষ্টম প্রশ্নে জবা ফুলের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বলা হয়েছে—এটি উপপত্রযুক্ত। নবম প্রশ্নে সাইকাসের আর্কিগোনিয়ামে একটি মাত্র ডিম্বাণু থাকে। দশম প্রশ্নে পুংরেণুর বাইরের স্তর এক্সাইন নামে পরিচিত। একাদশ প্রশ্নে সাইকাসের শুক্রাণুর আকৃতি মোচাকৃতির। দ্বাদশ প্রশ্নে উল্লেখ করা হয়েছে যে উদ্ভিদকুলের সর্ববৃহৎ শুক্রাণু সাইকাসে পাওয়া যায়।

আবৃতবীজী উদ্ভিদের প্রসঙ্গে ত্রয়োদশ প্রশ্নে বাংলাদেশে প্রাপ্ত আবৃতবীজী গোত্রের সংখ্যা ২০০টি নির্ধারিত। চতুর্দশ প্রশ্নে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট আবৃতবীজী উদ্ভিদ উলফিয়া অ্যারাইজা (Wolffia arrhiza) হিসেবে চিহ্নিত। পঞ্চদশ প্রশ্নে টেপাল পুষ্পপুটের অংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর প্রদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি কার্যকরী অনুশীলন উপকরণ হিসেবে কাজ করবে। এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে নিয়মিত বহুনির্বাচনি প্রশ্ন সমাধান করলে বিষয়ভিত্তিক ধারণা সুসংহত হয় বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।